হঠাৎই কান্নায় ভেঙে পড়লেন কংগ্রেস নেতা বি নগেন্দ্র। কর্নাটকের মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করলেন তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছে বিজেপি (B Nagendra)। আর এই পরিস্থিতির মধ্যেই তার এই পদত্যাগ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে রাজনৈতিক মহলে। এর আগেও তিনি একই অভিযোগের ভিত্তিতে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন। তবে কী দলেরই নির্দেশে পদত্যাগ করলেন তিনি?
শুক্রবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেন কর্নাটকের মন্ত্রী বি নাগেন্দ্র। এই কথা ঘোষণা করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি (B Nagendra)। স্বেচ্ছায় পদত্যাগের কথা ঘোষণা করার সময়ে কার্যত আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন নগেন্দ্র। তিনি বলেন, “তাঁকে ঘিরে তৈরি রাজনৈতিক বিতর্ক যেন রাজ্যের উন্নয়ন কিংবা মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমারের পরিকল্পনার পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়। তাই তিনি সরে দাঁড়াচ্ছেন।”
এই একই ঘটনার জন্য ২০২৪ সালে তাঁকে মন্ত্রিত্ব ছাড়তে হয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে কর্নাটক মহর্ষি বাল্মীকি তফসিলি জনজাতি উন্নয়ন নিগমে ৮৯ কোটি টাকা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। সেই বছরে ওই সংস্থার হিসেব রক্ষকের আত্মহত্যা করার পরে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। তিনি একটি সুইসাইড নোটও লিখে গিয়েছিলেন। সেই নোটে বেআইনি ভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগও করেছিলেন। এরপরেই শুরু হয় তদন্ত। অভিযোগের আঙুল উঠে কংগ্রেস নেতা বি নগেন্দ্রর দিকে। তবে কী সত্যিই দলের চাপে তিনি পদত্যাগ করলেন?
সংবাদমাধ্যমের সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নগেন্দ্র বলেন, “তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কারণ চলমান রাজনীতির বিতর্কের প্রভাব সরকারের কাজে পড়ুক, তা তিনি কখনই চাননি।” তিনি জোর দিয়ে বলেন, তিনি কোনো অন্যায় করেননি এবং একজন নির্দোষ ব্যক্তিকে অভিযুক্ত হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টার জন্য বিজেপি দায়ী।
তিনি এই ঘটনাকে কর্নাটকের জনগণের জন্য ‘পরীক্ষা’বলে অভিহিত করেন। পাশাপাশি উল্লেখ করেন, মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর দলের নেতৃত্ব বরাবরই বলে এসেছেন যে এই ঘটনার জন্য তিনি দায়ী নন।










