সকালে চায়ের কাপ থেকে শুরু করে দই, পনির ইত্যাদি, প্রতিদিনের খাবারে রয়েছে আমাদের দুধের ব্যবহার। কিন্তু সেই দুধে ভেজাল আছে কি না, তা নিয়ে অনেকেরই চিন্তা থাকে। বিশেষ করে দুধে ডিটারজেন্ট মেশানো হয়েছে কি না, তা নিয়ে বাড়ছে প্রশ্ন। এবার বাড়িতেই সহজ একটি পরীক্ষার মাধ্যমে দুধে ডিটারজেন্ট থাকার সম্ভাবনা সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া যেতে পারে। এই পরীক্ষার পদ্ধতি দেখিয়েছে ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (FSSAI)। (Milk Adulteration)
কীভাবে করবেন পরীক্ষা?
এর জন্য খুব বেশি কিছু লাগবে না। একটি ছোট গ্লাসে প্রায় ৫ থেকে ১০ মিলিলিটার দুধ নিতে হবে। এরপর দুধটি ভালো করে ঝাঁকাতে হবে। ঝাঁকানোর পর দুধের উপরে নজর রাখতে হবে। যদি বেশ কিছুক্ষণ বুদবুদ বা ফেনা দেখা যায়, তাহলে ডিটারজেন্ট থাকার সম্ভাবনা থাকতে পারে। (Milk Adulteration) ডিটারজেন্টে থাকা বিশেষ উপাদান জলের উপরিভাগের টান কমিয়ে দেয়। ফলে দুধ ঝাঁকালে তৈরি হওয়া বুদবুদ সহজে ভেঙে যায় না। তবে শুধু এই পরীক্ষার ভিত্তিতে দুধে ডিটারজেন্ট রয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া যাবে না। সাধারণ দুধেও ঝাঁকালে কিছুটা ফেনা হতে পারে।
প্যাকেট কেনার সময় কী দেখবেন?
প্যাকেটজাত দুধ কেনার সময় প্যাকেটের সিল ঠিক আছে কি না, তা দেখে নেওয়া জরুরি। প্যাকেটে কোনও ক্ষতি বা খোলার চিহ্ন রয়েছে কি না, সেটিও দেখতে হবে। পাশাপাশি মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ, লেবেল এবং অন্যান্য তথ্য যাচাই করা উচিত। প্যাকেটে থাকা FSSAI-এর লোগো ও লাইসেন্স নম্বরও দেখা যেতে পারে। দুধের প্যাকেট হোক বা কার্টন, শুধু প্যাকেজিং দেখেই কোনটি বেশি নিরাপদ তা বলা যায় না। দুধের গন্ধ, রং বা স্বাভাবিক চেহারায় অস্বাভাবিক পরিবর্তন থাকলে তা না খাওয়াই ভালো। (Milk Adulteration)
সবশেষে, বাড়ির এই পরীক্ষা শুধুমাত্র প্রাথমিক সতর্কতা। দুধে সত্যিই ডিটারজেন্ট বা অন্য কোনও ভেজাল রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতে ল্যাবরেটরি পরীক্ষাই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য।













2 thoughts on “ভেজাল দুধ খাচ্ছেন না তো? বাড়িতেই করুন এই পরীক্ষা”
Comments are closed.