গোয়ার মাঠে বলের দখল, মাঝমাঠে নিয়ন্ত্রণ আর আক্রমণে একের পর এক ঝড়। ISL-এর প্রথম ম্যাচেই চার্চিল ব্রাদার্সকে ৪-০ গোলে হারিয়ে অভিযান শুরু করল ইস্টবেঙ্গল। আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের দলের জয়ে গোল দানি রামিরেজ ও এডমুন্ডের। জোড়া গোল বিপিন সিংয়ের। রক্ষণ, মাঝমাঠ ও আক্রমণের মধ্যে দারুণ বোঝাপড়া দেখা গেল লাল-হলুদের খেলায়। (East Bengal Beats Churchill Brothers)
শুরুতেই রামিরেজের গোল
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণে ঝাঁপায় ইস্টবেঙ্গল। তিন মিনিটের মাথায় বক্সের বাইরে থেকে দানি রামিরেজের বাঁক খাওয়ানো ফ্রি কিকে এগিয়ে যায় লাল-হলুদ। ১-০ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে তারা। পাল্টা আক্রমণে ফেরার চেষ্টা করে চার্চিল। সেবাস্টিয়ানের একটি শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। তবে ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণ ভাঙতে পারেনি তারা। (East Bengal Beats Churchill Brothers)
বিরতির আগে ব্যবধান বাড়ালেন এডমুন্ড
গোয়ার গরমে ম্যাচের গতি কিছুটা কমলেও আক্রমণ চালিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। এডমুন্ড একাধিক সুযোগ পেলেও প্রথমে গোল করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত বিরতির তিন মিনিট আগে ডেভিডের বুদ্ধিদীপ্ত ব্যাক-সেন্টার থেকে গোল করে ব্যবধান বাড়ান এডমুন্ড। প্রথমার্ধ শেষ হয় ২-০ গোলে।
দ্বিতীয়ার্ধে বিপিনের জোড়া গোল
দ্বিতীয়ার্ধে রোহিত দানুর পরিবর্তে বিপিন সিংকে নামান হাবাস। আক্রমণে আরও গতি পায় ইস্টবেঙ্গল। রামিরেজের একটি শট বারে লেগে ফিরে আসে। এডমুন্ড ও ডেভিডও গোলের সুযোগ তৈরি করেন। পরে ডেভিডের পরিবর্তে নামেন পিভি বিষ্ণু। তবে গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি তিনি। ৮৩ মিনিটে এডমুন্ডের পরিবর্তে নামা একে লোবার পাস থেকে দুরন্ত শটে দলের তৃতীয় গোল করেন বিপিন সিং। ম্যাচের সংযুক্ত সময়ে রশিদের পাস থেকে বল পেয়ে বিষ্ণুর সহায়তায় নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন বিপিন। ফলে ৪-০ গোলে জয় নিশ্চিত হয় ইস্টবেঙ্গলের। (East Bengal Beats Churchill Brothers)
রক্ষণেও স্বস্তিতে লাল-হলুদ
আক্রমণের পাশাপাশি রক্ষণেও নজর কাড়ে ইস্টবেঙ্গল। আনোয়ার, জিভুলিচ, লালচুননুঙ্গা ও জয় গুপ্তার বোঝাপড়ায় চার্চিলের আক্রমণ বারবার আটকে যায়। মাঝমাঠেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন রশিদ ও রামিরেজ। সপ্তমীর রাতে বড় জয় দিয়ে ISL অভিযান শুরু করায় খুশি লাল-হলুদ সমর্থকেরা। (East Bengal Beats Churchill Brothers)












