বেশ কিছুদিন ধরেই সন্ধ্যার দিকে ঝড়ের সঙ্গে বৃষ্টির হচ্ছিল। যারে জেরে সকালের দিকে তেমন গরম অনুভূত হয়েনি দক্ষিণবঙ্গে। সেসব অতীত হয়েছে। দুদিন ধরে তাপমাত্রা বেড়েই চলেছে। জেলাগুলিতে ৪০ ডিগ্রি ছুঁইছুঁই তাপমাত্রা। অনুভব হচ্ছে যেন তাপমাত্রার পরদ ৫০-এক বেশি হয়েছে। যার জেরে ভ্যাপসা গরম ও উর্দ্ধমুখী তাপমাত্রায় জেরবার দক্ষিণবঙ্গবাসী। যদিও আবহাওয়া দফতর বলছে দক্ষিণবঙ্গের কিছু জেলাতে বজ্রঝড় ও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। (19th May Weather Update)
আজ দক্ষিণবঙ্গের বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, হুগলি, বাঁকুড়া এবং উত্তর ২৪ পরগনায় বজ্রঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে ওই সব জেলাগুলিতে। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্ত হালকা- মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, আন্দামান-নিকোবরে বর্ষা সময়ের অনেক আগেই ঢুকে পড়েছে। তবে বাংলায় বর্ষা কবে আসবে তা এখনও স্পষ্ট হয়নি। রাজ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ঢোকার সময় এখনও আসেনি বলেই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। সেইসঙ্গে দক্ষিণবঙ্গে এই মুহূর্তে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই কোথাও। ভ্যাপসা গরম ও অস্বস্তি বহাল থাকবে। কলকাতা-সহ একাধিক জেলায় দিনের তাপমাত্রা ৩৭-৩৯ ডিগ্রিতে পৌঁছে গিয়েছে। এদিকে বাতাসে জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় গুমোট অস্বস্তি রয়েছে। আবহাওয়া দফতর বলছে, স্থানীয়ভাবে বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হলে কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টি বা ঝোড়ো হাওয়া বইলেও গোটা সপ্তাহ কাটবে অস্বস্তিতেই। (19th May Weather Update)
অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে আজও। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার-সহ সব জেলাতেই বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি ও বজ্রপাত হতে পারে। জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে অধিক বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও প্রায় সব জেলাতেই কোথাও কোথাও বজ্রপাত-সহ ৩০–৪০ কিমি বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে বলে হাওয়া অফিস পূর্বাভাস দিয়েছে। (19th May Weather Update)









