দুর্গাপুরে ‘আয়ুর্বেদিক চকলেট’-এর নামে নেশাজাতীয় চকলেট বিক্রির অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। একটি বেসরকারি স্কুলের নবম শ্রেণীয় ছাত্রীর হাতে ওই চকলেট পৌঁছনোর পরেই বিষয়টি ধরা পড়ে। ঘটনায় অভিযুক্ত দোকানদারকে ইতিমধ্যেই আটক করেছে পুলিশ। ঘটনাটি দুর্গাপুরের রানা প্রতাপ রোড এলাকার একটি বেসরকারি স্কুলে ঘটেছে। (Chocolate Drug Sale)
শনিবার অন্যান্য দিনের মতোই স্কুলে আসে নতুন পল্লী এলাকার ওই ছাত্রী। তার হাতে থাকা সবুজ রঙের একটি প্যাকেট দেখে সহপাঠীদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়। সেই সময় বিষয়টি নজরে পড়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা দেবযানী বসুর। প্যাকেটটি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তিনি শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিয়ে ছাত্রীর কাছে যান এবং সেটি দেখতে চান। (Chocolate Drug Sale)
জিজ্ঞাসাবাদে ছাত্রীটি জানায়, ধুনড়া প্লট এলাকার একটি দোকান থেকে সে চকলেটটি কিনেছে। দোকানদার সঞ্জয় গড়াই তাকে বলেছিলেন, এটি একটি ভেষজ চকলেট। তবে স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, চকলেটটি আসলে নেশাজাতীয় বস্তু হতে পারে বলেই তাঁদের সন্দেহ হয়েছে। (Chocolate Drug Sale)
বিষয়টির গুরুত্ব বুঝে প্রধান শিক্ষিকা দ্রুত ছাত্রীর অভিভাবকদের খবর দেন এবং পুলিশকেও জানানো হয়। পরে অভিভাবক ও পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ সরাসরি ওই দোকানে পৌঁছয়। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্ত দোকানদারকে আটক করে এবং বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে। (Chocolate Drug Sale)
ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় উদ্বেগ ছড়িয়েছে। কীভাবে একটি দোকানে প্রকাশ্যে এমন সন্দেহজনক চকলেট বিক্রি হচ্ছে এবং তা আবার অপ্রাপ্তবয়স্কদের হাতে পৌঁছে যাচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিভাবকেরা। প্রধান শিক্ষিকা দেবযানী বসু জানান, প্যাকেটটি দেখেই তাঁদের সন্দেহ হয়েছিল। পরে ছাত্রীটি জানায় কাছের একটি দোকান থেকে এটি কিনেছে এবং তাকে বলা হয়েছে এটি ভেষজ চকলেট। কিন্তু বিষয়টি তাঁদের কাছে অত্যন্ত সন্দেহজনক মনে হয়েছে। ছোট ছাত্রীর হাতে এই ধরনের জিনিস বিক্রি হওয়া উদ্বেগজনক বলেও তিনি জানান। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। (Chocolate Drug Sale)










