রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

Humayun Kabir: ‘বাধা দিলেই জ্যান্ত পুঁতে দেব’ বিস্ফোরক হুমায়ুন, কেন বললেন?

Humayun Kabir
---Advertisement---

ফের বিস্ফোরক মন্তব্য হুমায়ুন কবীরের (Humayun Kabir)। বাবরি মসজিদের ১ কিলো মিটারের মধ্যে যে বিজেপি নেতারা বাধা দিতে আসবে, বুলডোজার দিয়ে গর্ত করে জ্যান্ত পুঁতে দেবো। এমনই মন্তব্য করলেন, জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর। তার এই মন্তব্যের পরই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। মঙ্গলবার নদিয়ার কালীগঞ্জে জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী কেছোবুদ্দিন শেখের সমর্থনে নির্বাচনী প্রচার সারেন হুমায়ুন কবীর।

এরপরই সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য, জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা তথা সভাপতি হুমায়ুন কবীরের। রাজ্যে এসে ভারতবর্ষের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা করেছেন ৪ তারিখ নির্বাচনের ফলাফলের পরদিন ৫ তারিখ রাজ্যে বাবরি মসজিদ হতে দেবেন না। আর অমিত শাহের এই মন্তব্যের বিরোধিতা করে তীব্র ভাষায় হুঁশিয়ারি হুমায়ুনের। তিনি বলেন, “যেখানে বাবরি মসজিদ হচ্ছে তার ১ কিলো মিটারের মধ্যে কোনও বিজেপি নেতা বাধা দিতে এলে জেসিপি দিয়ে গর্ত খুরে জীবন্ত পুতবো। শুধু বিজেপি নয়, ওখানে যে আসুক, তৃণমূল আসুক, আরএসএস আসুক, যে চটি চাটারা আসবে বাধা সৃষ্টি করতে তাদের এক কিলোমিটার এর মধ্যে আসার ক্ষমতা নেই”।

হুমায়ুন আরও বলেন, “আমি হুমায়ুন কবীর বলছি, বাবরি মসজিদের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে, জোর কদমে কাজ চলছে। আগামী দিনেও এই কাজ চলবে”। দিন কয়েক আগে বিজেপি নেতা অর্জুন সিং বলেছিলেন, “অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ভেঙেছি। বাংলায়ও বাবরি মসজিদ হলে সেটাও ভাঙবো”। এই প্রসঙ্গ টেনে এদিন হুমায়ুন বলেন, “ওর ক্ষমতা থাকলে বাবরি মসজিদ ভাঙ্গতে আসুক ওকে জ্যান্ত পুতবো”।

হুমায়ুন (Humayun Kabir) বলেন, “বাবরি মসজিদ কারোর বাপের টাকায় তৈরি হচ্ছে না। বাবরি মসজিদ তৈরি হচ্ছে মুসলিম ভাইদের টাকায়। ১৩ বিঘা জায়গার ওপর এই বাবরি মসজিদ হবে এবং এখানে একসাথে ১০ থেকে ১২ হাজার মানুষ একসাথে নামাজ পড়তে পারবেন। ইতিমধ্যেই সমস্ত সরঞ্জাম মিলে প্রায় ১০ কোটি টাকার উপর অনুদান উঠেছে”। বলে জানান জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীর।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment