---Advertisement---
lifezone nursing home

কাঁচরাপাড়ার এক স্কুল থেকে উদ্ধার লক্ষ লক্ষ টাকা, কীভাবে ওই টাকা এলো, কোনও সদুত্তর নেই

June 11, 2026 4:51 PM
Kanchrapara Money Recover
---Advertisement---

টেবিল ভর্তি বান্ডিল বান্ডিল টাকা। কোনওটা ৫০০ টাকার নোট, আবার কোনওটা ১০০-২০০ টাকার নোট। থরে থরে টেবিলের সাজানো। এই ছবি বিহার অথবা উত্তরপ্রদেশের নয়। এই ছবি বাংলার। অবশ্য বাংলায় এই ছবি নতুন নয়। এই ছবি উত্তর ২৪ পরগনার কাঁচরাপাড়া ইংরাজি মাধ্যম হার্নেট স্কুলে (Kanchrapara Money Recover)।

বুধবার রাতে বীজপুর থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে স্কুলের একটি ঘর থেকে উদ্ধার হয় ১ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা। টাকা গোনার জন্য রাতেই আনা হয় তিনটি মেশিন। ভোর পাঁচটা পর্যন্ত গণনা কাজ সম্পন্ন হয়। এই ঘটনায় বীজপুর থানার পুলিশ এই স্কুলের ক্যাশিয়ার অভিক নাথ ও অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাকাউন্টেন্ট সায়ন ঘোষকে আটক করে। এখন প্রশ্ন হলো, এত টাকা এলো কোথা থেকে? এই টাকা উদ্ধারের পর ক্ষুদ্ধ স্থানীয়রা।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন বীজপুরের বিধায়ক সুদীপ্ত দাস। বিধায়কের অভিযোগ, “একসময়ের বীজপুরের গর্বের প্রতিষ্ঠানটি আজ দুর্নীতির আঁতুড়ঘর হয়েছে। স্কুলের প্রাক্তন সভাপতি ও কাঁচরাপাড়া পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান কমল অধিকারী, বীজপুরের প্রাক্তন বিধায়ক সুবোধ অধিকারী এবং ব্যারাকপুরের সাংসদ পার্থ ভৌমিক এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন বলে দাবি করেন বিধায়ক। অন্যদিকে স্কুলের প্রিন্সিপাল জানিয়েছেন, নগদ অর্থের বিষয়ে তিনি অবগত নন এবং এই সংক্রান্ত তথ্য স্কুলের অ্যাকাউন্ট্যান্টই ভালো বলতে পারবেন।”

এই স্কুলের প্রিন্সিপাল বিকাশ চন্দ্র পাল বলেন, “এটা স্কুলে ছাত্রদের ভর্তির টাকা আর বই বিক্রি হয়েছিল টাকা গুলো অ্যাকাউন্টে জমার কথা। সেটা যায়নি তাই হল এমনটা।” অভিযোগ, স্কুলের এক আলমারি থেকে আপত্তিকর জিনিসপত্র পাওয়া গেছে, যা নিয়ে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে (Kanchrapara Money Recover)।


তবে এই অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া অর্থের উৎস এবং স্কুলে এত বিপুল পরিমাণ নগদ কীভাবে এল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের রিপোর্ট সামনে এলে পুরো বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছে প্রশাসন।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Join Now

Leave a Comment