প্রথম দফায় ১৯২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল বামফ্রন্ট (Left Candidate)। পরে ১০ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল CPIML লিবারেশন। পরে দ্বিতীয় দফায় ৩২ জনের নাম ঘোষণা করে বামেরা। এবার রাজ্যের আরও ৭ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করল বামফ্রন্ট। এই তালিকায় মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর ও রঘুনাথগঞ্জ, নদিয়ার নাকাশিপাড়া, রানাঘাট উত্তর-পশ্চিম ও রানাঘাট উত্তর-পূর্ব, পূর্ব মেদিনীপুরের এগরা এবং বীরভূমের ময়ূরেশ্বর কেন্দ্রে বাম প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। আইএসএফের সঙ্গে কয়েকটি আসনে এখনও টানাপড়েন চলছে। আইএসএফ তাদের পুরনো অবস্থান বদল করে কি না, তার জন্য বামেরা আরও একটু সময় দিচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকেই। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের বক্তব্য, ‘‘নির্বাচন একটা রাজনৈতিক সংগ্রাম। বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ঐক্যের জন্য আমরা এখন সংগ্রাম চালাচ্ছি। শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ঐক্যে পৌঁছনো যাবে বলে আমরা আশাবাদী।’’
বামেদের সঙ্গে সমঝোতা সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই প্রথম পর্যায়ে ২৩টি বিধানসভা আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে আইএসএফ। বামেরা আগে প্রার্থী দিয়েছে, এমন আসনেও আইএসএফ প্রার্থী দিয়েছে। তেমনই বাম শরিকদের সঙ্গে সিপিএমের আলোচনা চলছে, সেই ধরনের আসনেও প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে তারা। তবে ক্যানিং পূর্বে ভাঙড়ের তৃণমূল থেকে আইএসএফে আসা আরাবুল ইসলামকে প্রার্থী করায় অসন্তুষ্ট বামেরা। বৃহস্পতিবার সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম স্পষ্ট জানিয়ে দেন , ‘‘আমরা দুর্বৃত্তায়ন, দুর্নীতি, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে লড়াই করছি। যাকে পরাস্ত করতে লড়াই করছি, তাকে বদল করার করা কোনও সুস্থ লক্ষণ নয়।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘সিপিএম এবং বামফ্রন্ট এটা অনুমোদন করে না। আমরা জানিয়ে দিয়েছি।’’
এই বিড়ম্বনা নতুন নয়, গত বিধানসভা ভোটেও এই রকম বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছিল সিপিএম-কে। হুগলির জাঙ্গিপাড়া আসনে আইএসএফ শেখ মউনুদ্দিন ওরফে বুদোকে প্রার্থী করায় সিপিএমের অন্দরে ক্ষোভ দেখা দিয়েছিল।
বৃহস্পতিবার আরও সাতটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করল বামফ্রন্ট (Left Candidate)। সাত জনই সিপিএমের প্রতীকে লড়বেন। জঙ্গিপুরে অলোককুমার দাস, রঘুনাথগঞ্জে আবুল হাসনাত, নাকাশিপাড়ায় শুক্লা সাহা, রানাঘাট উত্তর পশ্চিমে দেবাশিস চক্রবর্তী, রানাঘাট উত্তর পূর্ব আসনে মৃণাল বিশ্বাস, এগরায় সুব্রত পণ্ডা এবং ময়ূরেশ্বরে লড়বেন জয়ন্ত ভল্লা।












