কড়া নাড়ছে রাজ্য বিধানসভার নির্বাচন। সে কথা মাথা রেখেই নির্বাচনী প্রচার শুরু করে দিয়েছেন সোনারপুর দক্ষিণ কেন্দ্রের বিধায়ক লাভলি মৈত্র । তাঁর প্রার্থীপদ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে এখন জোর জল্পনা। তারই মাঝে রবিবার একটি বড় বাইক মিছিল করলেন তিনি। দলীয় কর্মী-সমর্থকদের বিপুল অংশগ্রহণে সেই মিছিল ঘিরে এলাকার বিভিন্ন এলাকা পরিক্রমা করলেন ।
লাঙলবেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের গোবিন্দপুর এলাকা থেকে বাইক মিছিলের সূচনা হয়। এরপর হরিনাভী, রাজপুর, সোনারপুর মোড়, ঘাসিয়াড়া এবং তেমাথা হয়ে মকরামপুর পর্যন্ত মিছিলটি যায়। বিভিন্ন মোড়ে কর্মী-সমর্থকেরা পতাকা ও ব্যানার হাতে নিয়ে বিধায়ককে স্বাগত জানান।
মিছিলে কয়েকশো বাইক অংশ নিয়েছে বলে দলীয় সূত্রের দাবি। রাস্তাজুড়ে স্লোগান ও দলীয় পতাকায় সরব হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। অনেক জায়গায় সাধারণ মানুষকেও মিছিলে যোগ দিতে দেখা যায়।
রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, সোনারপুর দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে লাভলি মৈত্রের টিকিট পাওয়া নিয়ে দলের ভেতরেই কিছুটা মতভেদ তৈরি হয়েছে। দলেরই একাংশ তাঁর বিরোধিতা করছে বলেও খবর। সেই জল্পনার আবহেই এই বাইক মিছিলকে. অনেকেই শক্তি প্রদর্শনের কৌশল হিসেবে দেখছেন।
তবে বিধায়ক লাভলী মৈত্র এই জল্পনাকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ। তাঁর দাবি, এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল সংগঠনকে আরও সক্রিয় করা এবং কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ বাড়ানো।
মিছিল শেষে তিনি বলেন, আসন্ন নির্বাচনের জন্য দলীয় কর্মীরা ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি নিতে শুরু করে দিয়েছেন। দলের ঠিক করে দেওয়া প্রার্থীই নির্বাচনে জয়ী হবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
লাভলি মৈত্র আরও জানান, এলাকায় উন্নয়ন এবং সংগঠনের কাজ মানুষের কাছে তুলে ধরতেই এই ধরনের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। আগামী দিনে আরও বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌঁছনোর পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নির্বাচন ঘোষণার আগে এই ধরনের বড় মিছিল সাধারণত সংগঠনকে সক্রিয় রাখা। পাশাপাশি মাঠে নিজে রাজনৈতিক প্রতিপত্তি প্রদর্শনের অন্যতম উপায়। রবিবারের এই বাইক মিছিল সেই বার্তাই স্পষ্ট করে দিল বলে অভিমত বিভিন্ন জনের।










