দীর্ঘদিন ধরেই একাধিকগ্রামের বাসিন্দারা শিলাবতী নদীর উপর দুটি সাঁকো ব্যবহার করে আসছেন, এলাকার মানুষের পারাপারের একমাত্র সম্বল এই দুটি কাঠের সাঁকো। পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনার মনোহরপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতেকে দুই ভাগে ভাগ করেছে শীলাবতী নদী। সেই নদীর উপর রয়েছে কাঠের সেতু দুটি। অভিযোগ, সেই সাঁকো দুটি টেন্ডার ডেকে ব্যক্তি মালিকানা হাতে তুলে দিয়েছে গ্রাম পঞ্চায়েত। সাঁকো পারাপারের জন্য নেয়া হচ্ছে মোটা টাকা। ঘটনায় ক্ষুব্ধ গ্রামের মানুষ। (Manoharpur)
গাংচা হাইস্কুলের সামনে গাংচা ঘাট ও রাসবিহারী ঘাটের পারাপারের জন্য শিলাবতী নদীর উপর কাঠের সাঁকোগুলিই ভরসা। পঞ্চায়েত এলাকার বেশিরভাগ মানুষেরই তাদের একমাত্র অবলম্বন নদীর উপর কাঠের সাঁকো। রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ব্যক্তি মালিকানা হাতে দেওয়ায় পারাপারের জন্য টাকা দিতে হচ্ছে গ্রামবাসীদের। গাঁটের কড়ি দিয়ে যাতায়াতের জন্য মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ। গ্রামবাসীদের দাবি, ভোট দিচ্ছেন, তারপরও কেন যাতায়াতের জন্য টাকা দিতে হবে ? (Manoharpur)
অপরদিকে সাঁকো টেন্ডার নেওয়া ব্যক্তিদের অভিযোগ, সাঁকো থেকে কিভাবে টাকা উঠবে বুঝতে পারছেন না। এ বিষয়ে পঞ্চায়েতের প্রধান রাম কোটালের দাবি, পঞ্চায়েতের তহবিল একেবারেই শূন্য। টাকা নেই তাই এই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পঞ্চায়েতের তহবিলে টাকা আসলে পারাপারের জন্য টাকা নেয়া হবে না। (Manoharpur)
এনিয়ে শুরু রাজনৈতিক তরজা। বাম-বিজেপি তীব্রভাবে কটাক্ষ করেছে রাজ্যের শাসকদলকে। পাশাপাশি বিরোধীরা ২০২৬ সালের নির্বাচনে এই বিষয়টিকে হাতিয়ার করে প্রচারে নামতে চাইছেন। তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতেকে কটাক্ষ করতে শুরু করেছে বাম-বিজেপি। (Manoharpur)










