ভোটের আগে তৃণমূলে যোগদান করলেন বাংলার প্রাক্তন ক্রিকেটার শিবশঙ্কর পাল (Sib Sankar Paul), সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর মহম্মদ মুফতি আবদুল মতিন ও সাঁওতাল সম্প্রদায় থেকে আগত শিক্ষাবিদ ডঃ তনুশ্রী হাঁসদা। তৃণমূল ভবনে তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন পার্থ ভৌমিক ও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।
প্রার্থীতালিকা প্রকাশের পূর্বেই এই যোগদান যে নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কারণ, আজকের এই যোগদানে সমাজের ৩ স্তরের ৩ বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্বকে দলে টানল তৃণমূল। ক্রীড়া, সংখ্যালঘু ও সাঁওতাল সম্প্রদায়ের ৩ ব্যক্তিত্ব। তাও আবার প্রার্থীতালিকা প্রকাশের দিনেই। যা নিঃসন্দেহে বেশ খানিকটা ব্যাকফুটে ফেলে দিল বিরোধী শিবিরকে। প্রসঙ্গত, আজ একসঙ্গে ২৯৪ আসনেরই প্রার্থীতালিকা প্রকাশ করতে চলেছে তৃণমূল।
সূত্রের খবর, আজ তৃণমূলে যোগদানকারী শিবশঙ্করকে (Sib Sankar Paul) আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে দল প্রার্থী করতে পারে। কোচবিহারের তুফানগঞ্জ থেকে তৃণমূলের হয়ে টিকিট পেতে পারেন তিনি। সেক্ষেত্রে দলে যোগ দিয়েই একেবারে সোজা ময়দানে ভোটযুদ্ধের লড়াইয়ে নেমে পড়বেন শিবশঙ্কর পাল। তবে তিনিই সত্যিই টিকিট পাচ্ছেন কিনা, তা জানা আর কিছু সময়ের অপেক্ষা। উত্তর মিলবে দুপুরেই। এদিকে তৃণমূলে যোগ দিয়েই লড়াইয়ের বার্তা দিয়ে রাখলেন শিবশঙ্কর। বললেন, ‘আমি মাঠের মানুষ। খেলা হবে।’
ওদিকে উত্তর ২৪ পরগনা থেকে এদিন তৃণমূলে যোগ দেন মহম্মদ মুফতি আবদুল মতিন। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিচিত তিনি। তাঁর সম্পর্কে বলতে গিয়ে তৃণমূল সাংসদ পার্থ ভৌমিক বলেন, “সম্মানীয় ধর্মীয় পন্ডিত ও সামাজিক নেতা মহম্মদ মুফতি আবদুল মতিন। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। বছরের পর বছর তিনি শিক্ষা ও সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে কাজ করেছেন। একধিক জেলায় ধর্মীয় ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তিনি তৃণমূল স্তরে সচেতনতা প্রসারে কাজ করেছেন। বাংলায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখতে তাঁর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ও অবদান অস্বীকার্য।”
একইসঙ্গে এদিন তৃণমূলে যোগ দিলেন ডঃ তনুশ্রী হাঁসদা। বাঁকুড়ার রানিবাঁধের বাসিন্দা ডঃ তনুশ্রী হাঁসদা। সাঁওতাল সম্প্রদায়ের একজন শিক্ষাবিদ তিনি। তাঁকে তৃণমূলে টেনে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, ভোটের মুখে তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের একজন মহিলা সৈনিক বাড়ল। যাঁরা আজ যোগদান করলেন, তাঁরা প্রত্যেকেই তৃণমূলে আস্থা রেখেছেন। ভরসা রেখেছেন মা-মাটি-মানুষের সরকারের উপর।









