শিলিগুড়িতে ভয়ঙ্কর ঘটনা। কোমরের বেল্ট খুলেই পুলিশকর্মীকে মার। এমনই এক ভয়ঙ্কর ঘটনার সাক্ষী থাকল শিলিগুড়ি। বৃহস্পতিবার রাতে শিলিগুড়িতে এক কর্তব্যরত ট্রাফিক কনস্ট্রেবলকে পেটানোর অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় ৪ জনকে। ঘটনাটি ঘটেছে, শিলিগুড়ি জংশন এলাকায়। বেল্টের আঘাতে মাথায় গুরুতর চোট পান ওই পুলিশ কর্মী। প্রধাননগর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। ধৃতরা হল, বিশাল দাস, অর্জুন মাহাত,অজয় মাহাত ও রামদেব মাহাত। শিলিগুড়ি পুরনিগমের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। রামদেব মাহাতর বাড়ি কালিয়াগঞ্জে। ধৃতদের স্কুটিটি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। শুত্রবার ধৃত ৪ জনকে শিলিগুড়ি আদালতে তোলা হয়। বিচারক তাদের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। Siliguri Incident
পুলিশ সূত্রে খবর,রাতে রাস্তার মাঝখানে মদ্যপ অবস্থায় স্কুটি দাঁড় করিয়ে অভাব্য আচরণ করছিল ওই ৪ যুবক। সেই সময় কর্তব্যরত এক ট্রাফিক ও কনস্টেবল ও এক সিভিক ভলান্টিয়ার ঘটনার প্রতিবাদ করায়, বচসা বাঁধে। যুবকদের সরাতে গেলে ওই পুলিশকর্মীর সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি বেঁধে যায়। এরপরেই কোমর থেকে বেল্ট খুলে ওই পুলিশকর্মীর উপর চড়াও হয় ওই চার যুবক। বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। বেল্টের আঘাতে পুলিশকর্মীর মাথা ফেটে যায়। তার সঙ্গে থাকা ওই সিভিক ভলেন্টিয়ার তড়িঘড়ি অন্যান্য ট্রাফিক পুলিশ কর্মীদের খবর দেন। খবর দেওয়া হয় প্রধান নগর থানায়।
এদিকে এই ঘটনার পরই দৃশ্য দেখে ভিড় জমে যায়। কিন্তু নিমেষের মধ্যে ওই চার যুবক স্কুটি নিয়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। প্রধান নগর থানার পুলিশ, স্থানীয় সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে ওই চার যুবককে চিহ্নিত করে। তল্লাশি চালিয়ে ওই চার অভিযুক্তকে ধরে পুলিশ। ধৃতদের বিরুদ্ধে কর্তব্যরত সরকারি কর্মীকে মারধর, প্রাণনাশের চেষ্টা সহ নানান অভিযোগ রুজু করা হয়। বৃহস্পতিবার ধৃতদের শিলিগুড়ি আদালতে তোলা হলে আদালত তাদের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। Siliguri Incident
গোটা ঘটনায় স্তম্ভিত শিলিগুড়ির সাধারণ মানুষ। অনেকেরই বক্তব্য, রাতেই যদি পুলিশকেই মার খেতে হয় তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? এই নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।









