তৃণমূল বিধায়কদের সই জালের অভিযোগ নিয়ে কি আরও বিপাকে পড়তে চলেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়? সোমবার অভিষেককে সিআইডি তলব করলেও তিনি যাননি। এবার এই নিয়ে তৃণমূলকে কটাক্ষ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মন্ত্রীসভা সম্প্রসারণের পর এদিন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, “নিজের দলের বিধায়কদেরই সই জাল করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই নিয়ে তৃণমূলেরই দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহার অভিযোগের ভিত্তিতেই থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এরপরই তদন্ত শুরু করে সিআইডি। এর সঙ্গে রাজ্য সরকারের কোনও সম্পর্ক নেই”।
তিনি আরও বলেন, “তৃণমূল নিজের দলের লোককে ছাড়েনি। তাই বলব মালের দায়িত্ব আরোহীর! ক্ষমতা থেকে চলে গেলেও চুরি করতে ভুলছে না আঞ্চলিক এই দল। আর এই আঞ্চলিক দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক নিজে এর মধ্যে রয়েছে। আসলে সব চোরেদের পাঠশালা, কালীঘাটের টালির চালা”। শুভেন্দু জানান, পুলিশমন্ত্রী হিসাবে তাঁর কাছে বিষয়টি আসার পরেই তিনি সিআইডি-কে তদন্তে যুক্ত করার নির্দেশ দেন।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, “হেরে যাওয়ার পরও তৃণমূলের চুরির অভ্যাস যায়নি। তবে আমি এমন আগে দেখেনি যে, ভোটের আগেই কোনও দলের প্রার্থী বলছেন ভোটে লড়বেন না! আসলে তৃণমূল পার্টিটাই উঠে গেছে। ওদের হয়ে আর কেউ রাস্তায় নামবে না”।
অন্যদিকে,দল বিরোধী কাজের অভিযোগে দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাকে বহিষ্কার করল তৃণমূল। ইমেল মারফত তাদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তৃণমূল সূত্রের খবর। দিন কয়েক আগেই দল থেকে জাহাঙ্গিরকে কেন বহিষ্কার করা হবে না, সেই প্রশ্ন তুলেছিলেন দুজনেই। তারপর থেকেই বিক্ষুব্ধ তকমা হয়ে দলের বিরুদ্ধে নানা মন্তব্য করতে দেখা যায় দুজনকেই। সোমবার দুপুরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সাংবাদিক সম্মেলনের পরই এই দুই বিধায়কে দল থেকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নেয় তৃণমূল।












1 thought on “তৃণমূল বিধায়কদের সই-কাণ্ডে খোঁচা মুখ্যমন্ত্রীর, তৃণমূল ২ বিধায়ককে বহিষ্কার”