---Advertisement---
lifezone nursing home

West Bengal Election 2026: রবিবাসরীয় প্রচারে সোনারপুর দক্ষিণের প্রার্থীরা, এলাকা ঘুরে জনসংযোগ তৃণমূলের লাভলী মৈত্র এবং বিজেপি রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের

March 29, 2026 4:05 PM
West Bengal Election 2026
---Advertisement---

রবিবার মানেই একটা বাড়ি মেজাজ। ছুটির দিনে অধিকাংশ মানুষই বাড়িতে থাকায় নির্বাচনী (West Bengal Election 2026) প্রচারের জন্য জনসংযোগের বাড়তি পাওনা থাকে। তাই দিনটি কোনওমতেই হাতছাড়া করতে রাজি নন ডান-বাম কোনও পক্ষই। রবিবাসরীয় প্রচার সারলেন সোনারপুর দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থীরা।
এদিন সকালে রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচনী প্রচারে যান ওই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী লাভলী মৈত্র। দলীয় কর্মী সমর্থদের সঙ্গে নিয়ে হুড খোলা গাড়িতে বিভিন্ন এলাকা পরিক্রমা করেন। রাস্তার দুপাশে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষজনের সঙ্গে, কখনও হাত নেড়ে আবার কখনও কথা বলে জনসংযোগ সারেন তৃণমূল প্রার্থী। প্রচারের মাঝে তিনি বলেন, বাংলাকে দখলের উদ্দেশ্যে বহু মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। লাভলীর মৈত্রর দাবি, এই ঘটনার যোগ্য জবাব গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই দেবে বাংলার মানুষ। পাশাপাশি তিনি আরও অভিযোগ করেন, “রাম ও বাম এক হয়ে গেছে। দু’পক্ষ মিলে এখন তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ তুলছে।”
অন্যদিকে রবিবাসরীয় প্রচারে (West Bengal Election 2026) সোনারপুর দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। সোনারপুরের চৌহাটিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-র ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠান সেরে প্রচারে বার হন তিনি। বিভিন্ন এলাকা পরিক্রমার সময় সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে প্রচার সারেন। এদিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন সোনারপুর দক্ষিণ কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী । তিনি বলেন, আগে বাংলার পরিস্থিতি সামলান, তারপর দিল্লির দিকে নজর দিক। ২০১৯ সালেও একইভাবে জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন বলেও কটাক্ষ রূপার।


তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, সোনারপুর দক্ষিণ এলাকায় রাস্তাঘাট, নিকাশি ব্যবস্থা এবং পানীয় জলের মতো মৌলিক পরিষেবার অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। পুরসভা এলাকা বা গ্রামাঞ্চল—সব জায়গাতেই সাধারণ মানুষ সমস্যায় পড়ছেন। তার দাবি, “সোনারপুর দক্ষিণে একটি রাস্তাও ঠিকমতো চলাচলের উপযোগী নয়।”


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Join Now

Leave a Comment