২০ জুন পশ্চিমবঙ্গ দিবস (west bengal day)। ১৯৪৭ সালের এই দিনে অবিভক্ত বাংলার আইনসভার ঐতিহাসিক অধিবেশনে বঙ্গভঙ্গের প্রস্তাব গৃহীত হয়, যার মাধ্যমে ভারতের অন্তর্ভুক্ত রাজ্য হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের জন্ম হয়। এই দিনটিতে রাজ্যের প্রতিষ্ঠা এবং ঐতিহাসিক পটভূমিকে সম্মান জানানো হয়। ২০২৬ বিধানসভা ভোটে বদলেছে ক্ষমতার সমীকরণ। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ বিজেপি গঠন করেছে সরকার। তাই এবার পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালিত হলো মহা সমারোহে।
এদিন পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে বিধানসভায় একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বোস, এছাড়া বিভিন্ন দফতরের মন্ত্রীরা। উপস্থিত ছিলেন তাপস রায়, শঙ্কর ঘোষ ছাড়া আরও বিশিষ্টজনেরা। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ছবি মাল্যদান ও সঙ্গীতের মাধ্যমে শুরু হয় অনুষ্ঠান (west bengal day)।
অন্যদিকে, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের (west bengal day) কলকাতার বাড়িতে যান পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মূর্তিতে মাল্যদান করেন তিনি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অগ্নিমিত্রা পাল জানান, “আগের সরকার আজকের দিনটিকে পশ্চিমবঙ্গ দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিতে চায়নি। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উদ্যোগে আমরা এই দিবস পালনের সুযোগ পাচ্ছি।”
পাশাপাশি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়কেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তিনি। তিনি বলেন, “যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে রাজনীতি শুরু করেছিলেন, তাঁরা তাঁদের দলনেত্রীর হাত ছেড়ে দিয়েছে, তাঁরা বলছেন তাঁরা দলে থেকে কাজ করতে পারছেন না। তাঁদের কথা বলতে দেওয়া হয়নি। তাঁরা মানুষের জন্য কাজ করতে চেয়েছিলেন। সেইটা পারেননি। কী ধরনের দল মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় বানিয়েছিলেন সেটা আমরা জানি না। গোটা দেশের মানুষ দেখল এই দল কীভাবে ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গেল।”
দেশভাগের ইতিহাস প্রায় ৭৯ বছরের। ১৯৪৭-এর ২০ জুন অখণ্ড বাংলার বিধানসভায় পাশ হয়েছিল বাংলা ভাগের বিল। সে দিনটিকেই ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ হিসাবে পালন করার কথা ঘোষণা করেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই প্রেক্ষিতেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে পালিত হল পশ্চিমবঙ্গ দিবস










