---Advertisement---

Baloch leader slams Pakistan: ‘নিজেদের দেশেই মসজিদ ধ্বংস করছে পাকিস্তান’, বিস্ফোরক মন্তব্য বালোচ নেতার

January 20, 2026 12:41 AM
Baloch leader slams Pakistan
---Advertisement---

বালোচিস্তান বরাবরই পাকিস্তানের গলার কাঁটা। একাধিকবার এই কাঁটা তুলে ফেলতে চাইলেও ব্যর্থ হয়েছে পাকিস্তান সরকার। অন্যদিকে বালোচ লিবারেশন আর্মি পাকিস্তানকে বারবার আঘাত করেছে। এ বার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভয়াবহ অভিযোগ তুললেন প্রখ্যাত বালোচ নেতা ও মানবাধিকার কর্মী মির ইয়ার বালোচ। তাঁর দাবি, পাকিস্তান-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরে (PoJK) মসজিদ নিয়ে ভারতকে আক্রমণ করার আগে ইসলামাবাদের নিজের ঘর সামলানো উচিত। কারণ, পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনী বালোচিস্তান প্রদেশে প্রায় ৪০টি মসজিদ ধ্বংস করেছে। এমনই অভিযোগ করেন তিনি।

পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রক সম্প্রতি কাশ্মীরে মসজিদ, ইমাম ও ধর্মীয় কমিটিগুলির তথ্য সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নিয়ে ভারতের সমালোচনা করে। ইসলামাবাদের দাবি ছিল, এটি ধর্মীয় স্বাধীনতার মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন। সেই অভিযোগের জবাবেই এক্স (সাবেক টুইটার)-এ বিস্ফোরক মন্তব্য করেন মির ইয়ার বালোচ।

তিনি লেখেন, ‘পাকিস্তান একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র, যে রাষ্ট্র নিজেই সংখ্যালঘু হিন্দু, শিখ, খ্রিস্টান এবং অন্য সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতন চালায়।’ তাঁর বক্তব্য, ‘যে দেশ নিজের সেনাবাহিনী ও জিহাদি গোষ্ঠীকে ব্যবহার করে সংখ্যালঘুদের দমন করে, তারা ভারত, বালোচিস্তান বা অন্য কাউকে সংখ্যালঘু অধিকার নিয়ে কথা বলতে পারে না।’

মির বালোচের আরও দাবি, পাকিস্তানি বাহিনী বালোচিস্তানে শুধু মসজিদে বোমা হামলাই চালায়নি, কোরান পোড়ানো ও মসজিদের ইমামদের অপহরণও করেছে। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন কালাতের খান-এর মসজিদের কথা, যেটিকে পাকিস্তানি সেনার ট্যাঙ্ক ও গোলাবর্ষণে নষ্ট করা হয়। তাঁর মতে, সেই মসজিদে আজও মর্টার শেলের চিহ্ন রয়েছে, যা পাকিস্তানের দমননীতি ও ‘অইসলামিক আচরণ’-এর প্রমাণ।

এই অভিযোগের প্রেক্ষাপটে ফের আলোচনায় এসেছে বালোচিস্তান প্রশ্ন। পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত খনিজ-সমৃদ্ধ এই প্রদেশটি দীর্ঘদিন ধরেই বঞ্চনা ও স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছে। দশকের পর দশক ধরে চলা এই জাতীয়তাবাদী আন্দোলন কখনও কখনও সশস্ত্র বিদ্রোহের রূপ নিয়েছে, যা ইসলামাবাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

গাজায় শান্তি ফেরাতে উদ্যোগী ট্রাম্প, আমন্ত্রণ ভারত-পাকিস্তানকে

উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০২৫ সালের মে মাসে বালোচ জাতীয়তাবাদী নেতারা প্রতীকী ভাবে পাকিস্তান থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন। যদিও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি মেলেনি, তবু ওই অঞ্চল এখনও অস্থির। পাকিস্তানি সেনা ও চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর (CPEC)-এর প্রকল্পগুলিকে লক্ষ্য করে হামলা অব্যাহত রয়েছে।

মির ইয়ার বালোচের এই বক্তব্য শুধু কাশ্মীর বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করল না, বরং পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ মানবাধিকার পরিস্থিতিকেও ফের আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রে এনে দিল।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Join Now

Leave a Comment