সঙ্গীত জগতে নক্ষত্র পতন! প্রয়াত বর্ষীয়ান সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে (Asha Bhosle property)। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৯২। শনিবার থেকে বুকে সংক্রমণ নিয়ে মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন কিংবদন্তি শিল্পী। দীর্ঘ আট দশকের সঙ্গীত জগতের কেরিয়ারে তাঁকে ছাপিয়ে গিয়েছিল সাফল্য। শুধু সঙ্গীত জগতই নয়, ব্যবসায়ীক ক্ষেত্রেও একাধিক সাফল্য আসে।
অনেকেই হয়তো জানেন না, গানের মঞ্চের বাইরে রান্নাঘরেও কেরামতি দেখাতে পারতেন আশা ভোঁসলে। তিনি যে একজন পাকা রাঁধুনি, তাঁর রান্নার স্বাদ যাঁরা চেখেছেন, তাঁরাই জানেন। রান্নার প্রতি এই ভালোবাসা থেকেই রেস্তরাঁ ব্যবসায় যোগ দেন আশা। ২৪ বছর আগেই শুরু করেছিলেন এই নতুন কাজ। সারা পৃথিবী জুড়ে ছড়িয়ে আছে আশার বেশ কয়েকটি রেস্তরাঁ।
২০০২ সালে তিনি দুবাইয়ে একটি রেস্তরাঁর চেইন খোলেন। রেস্তোরাঁর নাম Asha’s। পরে সেই রেস্তরাঁ চেইনের আউটলেট ছড়িয়ে যায় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, কুয়েত, বাহরিনে তাঁর রেস্তরাঁর আউটলেট রয়েছে। ম্যাঞ্চেস্টার, বার্মিংহামের মতো শহরেও তাঁর রেস্তরাঁর আউটলেট রয়েছে।
এক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, আশা ভোঁসলের মোট সম্পত্তির পরিমাণ ২০০-২৫০ কোটি। যা তাঁকে ভারতের অন্যতম ধনী মহিলা গায়িকার আসনে অধিষ্ঠিত করেছে। যেখানে ১,৭২৮ কোটি টাকার সম্পদ নিয়ে এআর রহমান বলিউডের সবচেয়ে ধনী গায়কদের তালিকার শীর্ষে রয়েছেন।
আশাজির রোজগারের অনেকটা যেমন আসত প্লে-ব্যাক, অ্যালবাম বা কনসার্ট থেকে, তেমনই আসত রেস্তরাঁ চেইন থেকেও। ওই রেস্তরাঁ চেইনের বাইরেও মুম্বই এবং পুনেতে একাধিক বাড়ি রয়েছে কিংবদন্তি শিল্পীর নামে। সেগুলির মোট মূল্যও ৮০ থেকে ১০০ কোটির আশপাশে।
দক্ষিণ মুম্বইয়ের ‘প্রভুকুঞ্জ অ্যাপার্টমেন্টে’ অবস্থিত তাঁর নিজস্ব বাসভবন সহ সব মিলিয়ে তিনি প্রায় ৮০ থেকে ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক। ২০২৫ সালে তিনি পুনেতে একটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট ৬.১৫ কোটি টাকায় বিক্রি করেন, যা আশা ভোঁসলের (Asha Bhosle property) মোট সম্পদের পরিমাণকে আরও বৃদ্ধি করেছে। সারা পৃথিবী জুড়ে ১৮টিরও বেশি জায়গায় রয়েছে ‘Asha’s’ রেস্তোরাঁ। প্রত্যেকটির রান্নাঘরে জড়িয়ে রয়েছে গায়িকার প্রত্যক্ষ ছোঁয়া।












1 thought on “Asha Bhosle property: গানের রয়্যালিটি থেকে বিদেশে রেস্তরাঁ, কত সম্পত্তি রেখে গেলেন আশা ভোঁসলে?”