রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

‘কোনও রাজনৈতিক দল নয়, জনগণের ক্ষোভ সমাধানে লক্ষ্য’, স্পষ্ট জানালেন cjp মুখপাত্র

CJP
---Advertisement---

মহারাষ্ট্রের ছত্রপতি সম্ভাজিনগরে অনুষ্ঠিত দুই দিনের কোর কমিটির বৈঠক শেষে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP) ঘোষণা করেছে যে তারা ঐতিহ্যবাহী কোনও রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে না। এর পরিবর্তে, ৬ অগস্ট তারা গোটা দেশ জুড়ে যুব জাগরণ ও জনসচেতনতা তৈরির নতুন আন্দোলনের রূপরেখা ও পরবর্তী কৌশল কী হবে তা প্রকাশ করা হবে। ‘ককরোচ জনতা পার্টি’-র প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস জানিয়েছেন, প্রথাগত রাজনীতির গণ্ডি পেরিয়ে দলের কার্যক্রমের পরিধি আরও বিস্তৃত করাই তাঁদের আন্দোলনের একমাত্র লক্ষ্য (CJP)।

CJP: কী বললেন cjp মুখপাত্র?

তাঁরা জোর দিয়ে বলেছেন, জনগণের অভাব-অভিযোগের সুরাহার জন্য রাজনৈতিক দলের বিকল্প তৈরির চেয়ে বরং সামাজিক জাগরণের প্রয়োজন। সাংবাদিক বৈঠকে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’-র প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেন, সমাজের যুবদের একদম শিকড় থেকে সচেতনতা বাড়িয়ে তুলতে হবে (CJP)।

CJP -র প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস স্পষ্ট করেছেন যে, জনগণের ক্ষোভ বা সমস্যার সমাধান নতুন কোনো রাজনৈতিক দল গঠন করা নয়। তিনি বলেন, “প্রতিবাদ কর্মসূচি সফল হওয়ার পর এই আন্দোলন কোন পথে এগোবে, সে বিষয়ে আমাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। আর আমরা সবাই মিলে এ নিয়ে আলোচনা করার জন্য একত্রিত হয়েছি এবং কীভাবে আন্দোলনটিকে একেবারে শিকড় থেকে নিয়ে যাওয়া যায়, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করব। আগামী ৬ অগস্ট আমরা আমাদের পরিকল্পনা কী তা আপনাদের জানাব।”

এদিকে, রাজনৈতিক দলগুলি সম্পর্কে তীব্র সমালোচনা করে সিজেপি (CJP)। সিজেপি (CJP)-র নেত্রী বৈষ্ণবী জোর দিয়ে বলেন, নাগরিকদের ওপর একতরফা নির্দেশ চাপিয়ে দেওয়ার পরিবর্তে প্রতিটি রাজনৈতিক দলের উচিত জনগণের সমস্যা ও সমাধান নিয়ে তাঁদের সঙ্গে আলোচনায় বসা।

তিনি আরও বলেন, “সম্প্রতি বিজেপি ও আরএসএস যেভাবে অন্যান্য সমাবেশ করেছে, তাতে আলোচনার চেয়ে একতরফা নির্দেশ চাপিয়ে দেওয়ার বিষয়টিই বেশি স্পষ্ট হয়েছে। তাই আমরা আশা করি, তারা নির্দেশ চাপানোর পরিবর্তে আলোচনার পথ বেছে নেবে। শিশুদের যেন কোনোভাবেই হেনস্থা বা ভয় দেখানো না হয়। এটাই আমাদের প্রত্যাশা। অন্যথায়, আমরা আমাদের যুব আন্দোলন চালিয়ে যাব।”


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment