রাত পোহালেই রাজ্যে প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচন। ভোটের আগেই আবারও একবার উত্তপ্ত হয়ে উঠল হাইভোল্টেজ নন্দীগ্রাম। শাসকদলের কর্মী সমর্থকদের ওপর হামলা চালানো এবং মারধর করার অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। অভিযোগ অস্বীকর গেরুয়া শিবিরের।
বুধবার, নন্দীগ্রামের ভেকুটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাড়কাণ্ডপসরা ৫১ এবং ৫২ নম্বর বুথে তৃণমূল এবং বিজেপি উভয়ের মধ্যেই মারধর এবং বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূলের অভিযোগ, গতকাল রাতে স্থানীয় বিজেপি নেতা মধুসুদন সাহুর নেতৃত্বে বিজেপির দুষ্কৃতীরা কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে তৃণমূল কর্মীদের বাড়ি, টোটো ভাঙচুর করে, এমনকী বাড়ির আলমারির লকার ভেঙে গয়নাও লুট করে। রাস্তায় লাগানো তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা, বন্যার, ফেস্টুন ছিঁড়ে দেয়, সঙ্গে ব্যাপক মারধর করে বলেও অভিযোগ। (Nandigram Violence)
আক্রান্ত তৃণমূল কর্মী পিন্টু গুড়িয়ার অভিযোগ, বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হঠাৎ তাঁদের উপর চড়াও হয়ে মারধর করতে থাকে। তিনি নিজেও ঘটনায় জখম হন। পিঠে এবং পায়ে গুরতর আঘাত পান।
BJP Worker Arrest: ভোটার তালিকার নাম করে BLO-কে ফোনে হেনস্থা, গ্রেফতার বিজেপি কর্মী
অন্যদিকে বিজেপির দাবি, তারা হামলা করেনি বরং মঙ্গল মাইতি নামের এক বিজেপি কর্মীকেই কাণ্ডপসরার মালাকার মোড়ে ব্যাপক মারধর করেছে তৃণমূলের লোকেরা। ওই ব্যক্তির স্পাইনাল কর্ড ভেঙে গিয়েছে। (Nandigram Violence)
এই ঘটনার পর তৃণমূল কংগ্রেসের নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী পবিত্র কর আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে যান। তিনি বলেন, “এরা হেরে যাওয়ার ভয় পাচ্ছে। নিজেদের পায়ের তোলার মাটি সরে গেছে তাই আমাদের কর্মীদের ওপর এভাবে অত্যাচার করছে।” সব মিলিয়ে ভোটের মুখে এসে নন্দীগ্রামে উত্তেজনা আবারও নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর সৃষ্টি করেছে।












