ভারতীয় ক্রিকেটের বহু পরিচিত মুখ ব্যাট-বল নামিয়ে রাজনীতির ময়দানে পা রেখেছেন।(Ex-Cricketers in Politics) কেউ সাংসদ হয়েছেন, কেউ দলের মুখপাত্র, আবার কেউ নির্বাচনী প্রচারের অন্যতম আকর্ষণ। কিন্তু ক্রিকেটের মতো রাজনীতির পিচও যে অনিশ্চয়তায় ভরা, তা প্রমাণ করেছেন একাধিক প্রাক্তন ক্রিকেটার। দল বদল, মতাদর্শের সংঘাত, টিকিট না পাওয়া কিংবা রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করার তাগিদ— নানা কারণে তাঁরা এক দল ছেড়ে অন্য দলে যোগ দিয়েছেন।
সবচেয়ে সাম্প্রতিক উদাহরণ প্রাক্তন অফ স্পিনার হরভজন সিং। ২০২২ সালে আম আদমি পার্টির সমর্থনে রাজ্যসভায় গিয়েছিলেন তিনি। পঞ্জাব রাজনীতিতে আপের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হওয়ায় আপ ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন ভজ্জি। রাঘব চাড্ডা-সহ একাধিক আপ সাংসদের দলত্যাগের আবহে তাঁর এই সিদ্ধান্ত জাতীয় রাজনীতিতে বড় চর্চার বিষয় হয়ে ওঠে। রাজনৈতিক মহলের মতে, পঞ্জাবে আপের ভিত নড়ে যাওয়ার ইঙ্গিতও মিলেছে এই ঘটনায়।(Ex-Cricketers in Politics)
Anna Hazare: ‘সঠিক পথে চললে কেউ দল ছাড়ত না’ – কেজরিওয়ালকে তীব্র খোঁচা আন্না হাজারের: Ex-Cricketers in Politics: ক্রিকেটের পিচ ছেড়ে রাজনীতির ময়দানে, তারপর দলবদল! ভজ্জি-সিধু-কীর্তি আজাদদের রাজনৈতিক ইনিংসদলবদলের রাজনীতিতে সবচেয়ে পরিচিত নাম অবশ্যই নভজ্যোত সিং সিধু (Ex-Cricketers in Politics)। ২০০৪ সালে বিজেপির টিকিটে দীর্ঘদিন সাংসদ থাকার পর আচমকাই তিনি দল ছাড়েন। পরে ২০১৬ সালে রাজ্যসভায় মনোনীত হলেও বিজেপির সঙ্গে মতবিরোধের জেরে সেই বছরই দল ছাড়েন। পরে কংগ্রেসে যোগ দিয়ে ২০১৭ সালে পঞ্জাব রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে ওঠেন। কিন্তু সেখানেও দ্বন্দ্ব, মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংয়ের সঙ্গে দ্বন্দ্ব, পরে চরণজিৎ চন্নির জমানায় বিতর্ক— সব মিলিয়ে সিধুর রাজনৈতিক কেরিয়ার বারবার শিরোনামে এসেছে।
একইভাবে প্রাক্তন বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার কীর্তি আজাদ -এর রাজনৈতিক সফরও যথেষ্ট নাটকীয়। ১৯৯৯ সালে বিজেপির সাংসদ হিসেবে পরিচিত কীর্তি আজাদ পরে দলের বিরুদ্ধে সরব হন। ২০১৫ সালে দিল্লি ক্রিকেট সংস্থায় দুর্নীতির অভিযোগ তুলে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন তিনি। এরপর ২০১৯ সালে বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেন। পরে ২০২১ সালে তৃণমূল কংগ্রেসেও নাম লেখান তিনি।
Vastu Shastra Tips: পাখিদের এই বিশেষ খাবার খাওয়ান, খুলে যাবে আপনার ভাগ্য: Ex-Cricketers in Politics: ক্রিকেটের পিচ ছেড়ে রাজনীতির ময়দানে, তারপর দলবদল! ভজ্জি-সিধু-কীর্তি আজাদদের রাজনৈতিক ইনিংসরাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ক্রিকেটারদের জনপ্রিয়তা ভোটের রাজনীতিতে বড় অস্ত্র। কিন্তু জনপ্রিয়তা সবসময় রাজনৈতিক স্থায়িত্ব দেয় না। মাঠের পারফরম্যান্স আর রাজনীতির সমীকরণ এক নয়। ভোটের অঙ্ক, দলীয় শৃঙ্খলা ,মতাদর্শের সংঘাত, ক্ষমতার সমীকরণ এবং ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষার টানাপোড়েনে বহু তারকা ক্রিকেটারের রাজনৈতিক ইনিংস মাঝপথেই মোড় ঘুরিয়েছে। ফলে এখন প্রশ্ন উঠছে— ক্রিকেটারদের জন্য রাজনীতি কি শুধুই দ্বিতীয় ইনিংস, নাকি সেটাও এক ধরনের পাওয়ার প্লে?(Ex-Cricketers in Politics)












1 thought on “Ex-Cricketers in Politics: ক্রিকেটের পিচ ছেড়ে রাজনীতির ময়দানে, তারপর দলবদল! ভজ্জি-সিধু-কীর্তি আজাদদের রাজনৈতিক ইনিংস”