শেষ হয়েও শেষ হচ্ছে না। যুদ্ধে ইতি টানতে আমেরিকাকে তিন দফা প্রস্তাব দিয়েছে ইরান (Iran-US War)। হরমুজ় নিয়ে জটিলতাও অব্যাহত রয়েছে। এরইমধ্যে দুই দেশের মধ্যে দ্বিতীয় দফায় আলোচনাও ভেস্তে গিয়েছে। এই আবহে ইরান জানিয়ে দিয়েছে, তারা হরমুজ় খুলতে প্রস্তুত। কিন্তু, তার জন্য আমেরিকাকে মানতে হবে তিনটি শর্ত। এদিকে, বেঁকে বসেছে আমেরিকা। ট্রাম্প ইরানের শর্তে একেবারেই খুশি নন। এখন কী হবে তাহলে?
আমেরিকা নিশ্চই ইরানের তিন শর্ত মানবে না। তবুও বিশ্ব কূটনৈতিক মহল মনে করছে এভাবেই চেষ্টা শুরু হলে একসময় ঠিকই হরমুজ খুলবে। হরমুজ় নিয়ে জটিলতাও অব্যাহত রয়েছে। এরইমধ্যে দুই দেশের মধ্যে দ্বিতীয় দফায় আলোচনাও ভেস্তে গিয়েছে। এই আবহে ইরান জানিয়ে দিয়েছে, তারা হরমুজ় খুলতে প্রস্তুত। কিন্তু, তার জন্য আমেরিকাকে মানতে হবে তিনটি শর্ত। তার মধ্যে রয়েছে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে মার্কিন নৌ অবরোধ তুলে নিতে হবে। একইসঙ্গে পারমাণবিক আলোচনা স্থগিতেরও শর্ত দেওয়া হয়েছে। এদিকে, ইরান ও লেবাননের উপর হামলা বন্ধ করতে হবে দাবি জানানো হয়েছে।
দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সপ্তাহান্তে ওমান ও পাকিস্তানের সঙ্গে সাক্ষাতের সময়ে ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির তিন শর্ত দেন এবং আলোচনা পুনরায় শুরু করার উদ্যোগও নেন।
অন্যদিকে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী, যুদ্ধ বন্ধ করতে ইরানের (Iran-US War) তিন দফা প্রস্তাব নিয়ে খুশি নন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কারণ, এ প্রস্তাবে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার কথা বলা হয়নি। এমনই হোয়াইট হাউস সূত্রে খবর। ইরানের প্রস্তাবিত তিন দফার মধ্যে প্রথম দফায় বলা হয়েছিল, ইরান ও লেবাননের উপরে আর কোনও হামলা চালাবে না আমেরিকা, এই প্রতিশ্রুতি ট্রাম্প প্রশাসনকে দিতে হবে। এ দাবি মানলে দ্বিতীয় দফায় হরমুজ় প্রণালীর খোলার আগে সেটির পরিচালন কী ভাবে করা যায় তা নিয়ে আলোচনা হবে। এই দুই দফা সফল হলে ও হরমুজ় প্রণালী দিয়ে স্বাভাবিক ভাবে জাহাজ চলাচল শুরু হলে পরমাণু বিষয়ক বোঝাপড়া শুরু করার কথা ভাববে ইরান। এমনই জানান হয়েছিল।












