ভরা বৈশাখেও এখনও সেভাবে গরমের তেজ দেখা যায়নি রাজ্যে। তার প্রধান কারণ, টানা ঝড়-বৃষ্টি (weather 10th May)। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প প্রবেশ করছে। পাশাপাশি বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগে ঘূর্ণাবর্ত এবং অক্ষরেখার প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় অস্থির আবহাওয়া তৈরি হয়েছে।
রবিবার দক্ষিণবঙ্গের বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, উত্তর ২৪ পরগনা এবং হুগলি জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই জেলাগুলিতে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস।
সোমবার পূর্ব মেদিনীপুর এবং দুই ২৪ পরগনায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। মঙ্গলবার বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে। তবে দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই হালকা বৃষ্টি চলবে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিম বর্ধমান এবং নদিয়ায় বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে। শুক্রবার ফের হালকা থেকে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
রাজ্যে পালাবদল হতেই ক্রীড়াক্ষেত্রে পরিবর্তন, দল তুলে নিল ডায়মন্ড হারবার
উত্তরবঙ্গেও আগামী কয়েকদিন আবহাওয়া অস্থির থাকার ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। ১০ মে মালদা এবং উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে একাধিক জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি ও ঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে।
১২ মে থেকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির দাপট আরও বাড়বে বলে পূর্বাভাস। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ১২ থেকে ১৪ মে পর্যন্ত কয়েকটি জেলায় ৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।
আবহাওয়া দফতরের তরফে সতর্ক করা হয়েছে, বজ্রঝড় চলাকালীন খোলা জায়গায় না থাকার পাশাপাশি গাছের নিচে আশ্রয় না নেওয়ার জন্য।








