---Advertisement---

হার মানাল উচ্চতা, কলকাতার থেকেও লম্বা মূর্তি মেসির, কোথায়?

June 24, 2026 8:57 PM
Lionel Messi Statue
---Advertisement---

হাওয়ায় দুলছিল ৭০ ফুট উচ্চতার মেসির মূর্তি। তাই বাধ্য হয়েই নিরাপত্তার কথা ভেবে প্রশাসন লেকটাউন মোড় থেকে মূর্তিটি ক্রেনের মাধ্যমে সরিয়ে ফেলার ব্যবস্থা করে। আর এতেই বেশ দুঃখ পান মেসি ভক্তরা। তবে সেই দুঃখ আর রইল না। এবার আর্জেন্টিনার পাটাগোনিয়ায় (Patagonia Argentina) তৈরি হলো ৮৫ ফুটের উচ্চতার একটি মেসির মূর্তি। যা কলকাতার তৈরি মেসির মূর্তিকেও ছাপিয়ে গেল (Lionel Messi Statue)।

১৬ জুন আর্জেন্টিনার পাটাগোনিয়ায় তেলের শহর ‘কুত্রাল কো’-তে এই মূর্তির উন্মোচন হয়। ওই দিন প্রথম ময়দানে নামে আর্জেন্টিনা (Lionel Messi Statue)। ৭০ টন স্টিল দিয়ে তৈরি মূর্তিটি। শিল্পী ৬১ বছরের আলদো বেরোইসা এই মূর্তিটি নিজের হাতে তৈরি করেছেন। তিনি নিজে স্বীকার করেছেন, দেখতে ১০০ শতাংশ লিওনেল মেসির মতো নয়(Largest Lionel Messi Statue)।

পাটাগোনিয়ার মাঠে হাঁটু গেড়ে বসে রয়েছেন মেসি। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ (2022 Qatar World Cup) ফাইনালে যখন আর্জেন্টিনা জেতে তখনকার সেই মেসির ছবি নকল করেই এই মূর্তিটি তৈরি হয়েছে। সেই সময় জেতার আনন্দে লুসাইল মাঠে (Lusail Stadium) বসে পড়েছিলেন দলের অধিনায়ক। এক হাতে জার্সি আঁকড়ে ধরা, অন্য হাতের একটা আঙুল আকাশের দিকে।

এই মূর্তিটি তৈরি করতে শিল্পীর আঠারো মাস লেগেছে। তাঁর কথায়, ‘মেসি আমাদের রাষ্ট্রদূত। শুধু শিল্পী হিসেবে নয়, আর্জেন্টিনার মানুষ হিসেবেও এই কাজ আমার কাছে খুব জরুরি ছিল।’ মেসির এই মূর্তি উন্মোচনের পর থেকে দর্শনার্থীর সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে ‘কুত্রাল কো’-তে।

আরও পড়ুন :- জোড়া গোলে সমালোচনার জবাব, মেসির নাম শুনেই কী করলেন রোনাল্দো?

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে মেসির হ্যাটট্রিকের ঠিক আগের দিনই এই মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু ঠিক এখন কেন? গ্যাব্রিয়েল যা জানালেন, তার সারমর্ম একটাই, বিশ্বের সব প্রান্তের সবাই মেসির এই জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগাতে চাইছেন। যেমন ‘কুত্রাল কো’-তে মেসির মূর্তি স্থাপনের আসল কারণ, পাতাগোনিয়ার মরুভূমি অঞ্চলে এমন কিছু জিনিস নেই যা, পর্যটকদের আকর্ষণ করে শহরে নিয়ে আসতে পারে।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Join Now

Related Stories

Leave a Comment