পাক অধিকৃত কাশ্মীরে দমন-পীড়ন অব্যাহত। নাগরিকদের নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী পর্যন্ত দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খাদ্যপণ্য থেকে শুরু করে ওষুধপত্র, উপত্যকায় কিছু ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। সরকার বিরোধী আন্দোলনে শামিল হওয়ার কারণেই এমন শাস্তি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। আর এরই মাঝে ফের বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন তাঁরা। মঙ্গলবার পালটা রাওয়ালাকোটে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী স্লোগান দিলেন— অধিকৃত কাশ্মীর পাকিস্তানের ভূখন্ড নয় (Pok protesters)।
এই আন্দোলন ২২ তম দিনে পড়েছে। ইদগাহ ময়দানে সমবেত হয়েছিল বিরাট সংখ্যক জনতা। তাঁদের বক্তব্য, এই অঞ্চলটিকে আর পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণাধীন ভাবা উচিত নয়। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনকেও তাঁরা হুঁশিয়ারি দেন, দমন-পীড়ন বন্ধ না হলে ভারতের সঙ্গে বাস্তবেই জোরালো সম্পর্ক গড়ে তোলা হবে (Pok protesters)।
পাকিস্তানের অপশাসন, আর্থিক সংকট, মূল্যবৃদ্ধি এবং রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে এই বিক্ষোভ বা আন্দোলন শুরু হয়েছিল। এই আন্দোলনকে দমানোর জন্য, গত ৫ জুন থেকে ওই এলাকায় ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তাতেও ক্ষোভ বেড়েছে সাধারণ মানুষের।
সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মানুষ স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে এই অংশটি পাকিস্তানের অংশ নয়। সেখানকার বাসিন্দারা পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরকে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে এই ক্ষোভ আজকের নয়, ২০২৪-এ গোড়ার দিকে এই আন্দোলন মাথাচাড়া দিয়েছিল। সেই সময় এই আন্দোলনকে দমিয়ে রাখলেও, চলতি বছরের শুরুর দিক থাকা ফের মাথা চাড়া দেয় এই আন্দোলন।











