রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

ককরোচ জনতা পার্টির পর নতুন চমক, কী এই E20 জনতা পার্টি?

E20 Janta Party
---Advertisement---

ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) পর এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে (E20 Janta Party) E20 জনতা পার্টি। নিজেদের রাজনৈতিক দল নয়, বরং ভোক্তা অধিকারভিত্তিক নাগরিক আন্দোলন বলেই দাবি করছে এই সংগঠন। তাদের একটাই দাবি— ইথানল মিশ্রিত জ্বালানির পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে ১০০ শতাংশ বিশুদ্ধ পেট্রোল কেনার স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিতে হবে। ব্যঙ্গ, মিম এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারকে হাতিয়ার করে শুরু হওয়া এই উদ্যোগ ইতিমধ্যেই X ও Instagram-এ হাজার হাজার মানুষের সমর্থন কুড়িয়েছে।

E20 Janta Party: E20 জনতা পার্টি কী?

২৬ জুলাই প্রকাশিত একটি মিডিয়া নোটে সংগঠনটি জানিয়েছে, এটি একটি (citizen-led consumer rights movement) ভোক্তা অধিকারভিত্তিক নাগরিক আন্দোলন। তাদের বক্তব্য, সরকার ইথানল মিশ্রিত জ্বালানির ব্যবহার চালিয়ে যেতেই পারে, কিন্তু সেই সঙ্গে ১০০ শতাংশ পেট্রোল কেনার বিকল্পও থাকতে হবে। তারা কোনও ভর্তুকি বা E20 প্রত্যাহারের দাবি করছে না, শুধুমাত্র গ্রাহকের পছন্দের অধিকার নিশ্চিত করার দাবি তুলছে।

কী কী দাবি তুলেছে E20 জনতা পার্টি?

সংগঠনটির পাঁচটি প্রধান দাবি হলো—

  • পেট্রোল পাম্পে আবার ১০০ শতাংশ বিশুদ্ধ পেট্রোলের বিকল্প চালু করতে হবে।
  • জ্বালানিতে কী পরিমাণ ইথানল রয়েছে, তা স্পষ্টভাবে লেবেলে উল্লেখ করতে হবে।
  • বিভিন্ন ধরনের জ্বালানির খরচ, সুবিধা ও প্রভাব সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আনতে হবে।
  • মাইলেজ, ইঞ্জিনের কার্যক্ষমতা, নির্গমন এবং রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় নিয়ে স্বাধীন সমীক্ষা করে রিপোর্ট প্রকাশ করতে হবে।
  • নাগরিকদের তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দিতে হবে।

কেন এই আন্দোলন?

E20 জনতা পার্টির দাবি, বহু গাড়ি ও বাইকের মালিক মাইলেজ কমে যাওয়া, ইঞ্জিনের সামঞ্জস্য, দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ খরচ এবং পারফরম্যান্স নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। এই অভিযোগ সব ক্ষেত্রে সত্য কি না, তা নিয়েও তারা স্বাধীন সমীক্ষার দাবি জানিয়েছে। সংগঠনের মতে, উদ্বেগ থাকলে গ্রাহকের সামনে বিকল্প থাকাই উচিত।

ককরোচ জনতা পার্টির সঙ্গে তুলনা কেন?

ককরোচ জনতা পার্টি যেমন ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ ও সোশ্যাল মিডিয়াকে হাতিয়ার করে জাতীয় স্তরে আলোচনায় এসেছিল, E20 জনতা পার্টিও একই কৌশল নিয়েছে। সংগঠনটির পোস্টে দেখা গিয়েছে, ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকের একটি ভাইরাল পোস্টের ধাঁচ অনুসরণ করে তারা লিখেছে, “What if all bike/car owners come together?” অর্থাৎ, সব গাড়ি ও বাইকের মালিক একসঙ্গে এলে কী হবে— সেই বার্তাই ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

E20 Janta Party: কারা সমর্থন করছেন?

উদ্যোক্তা ও টেলিভিশন মুখ তহসিন পুনাওয়ালা প্রকাশ্যে এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন এবং E20 নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। পাশাপাশি, BJD সাংসদ সুলতা দেও সংসদে E20 জ্বালানি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ বিতর্কের দাবি জানিয়েছেন। তাঁর প্রশ্ন, দেশের সব গাড়ি কি E20-র জন্য পুরোপুরি উপযুক্ত? ১০-২০ বছর গাড়ি ব্যবহারকারীদের কী হবে? যদি রক্ষণাবেক্ষণের খরচ বাড়ে, তবে জ্বালানির দাম কমছে না কেন? তাঁর মন্তব্য, “অনেকের EMI শেষ হওয়ার আগেই গাড়ি বিকল হয়ে যেতে পারে।”

E20 Janta Party: সোশ্যাল মিডিয়ায় কতটা সাড়া ফেলেছে?

মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই X-এ E20 Janta Party-র ফলোয়ার ১০ হাজারের গন্ডি পেরিয়েছে। Instagram-এও দ্রুত বাড়ছে সমর্থক সংখ্যা। সংগঠনটি নিয়মিত নাগরিকদের E20 জ্বালানি সংক্রান্ত সমস্যা জানাতে আহ্বান জানাচ্ছে এবং বলছে, “One Demand. One Right. Give India the choice to buy 100% pure petrol.” এখন দেখার, সোশ্যাল মিডিয়ার এই আন্দোলন ভবিষ্যতে নীতিগত আলোচনায় কতটা প্রভাব ফেলতে পারে।

প্রথম দিনই ইস্তফা দিতে চেয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র, কিন্তু ফেরানো হয় প্রস্তাব, বিস্ফোরক দাবি BJP নেতার


Ishani Halder

ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলা ও ক্রিকেটের খবরের প্রতি আলাদা আগ্রহ ছিল। সেই আগ্রহ থেকেই সাংবাদিকতায় আসা। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছি। মূলত খেলার খবর লিখতেই বেশি ভালো লাগে, পাশাপাশি রাজনীতি, ভাইরাল ও বিভিন্ন চলতি বিষয় নিয়েও খবর লিখতে বিশেষ আগ্রহী। খেলাধুলা দেখতে ও তার বিভিন্ন দিক নিয়ে জানতে ভালো লাগে। দ্রুত ও নির্ভুলভাবে তথ্য পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই মূল লক্ষ্য। লেখালিখির পাশাপাশি বই পড়তে খুব ভালো লাগে এবং নতুন বিষয় জানতে সবসময় আগ্রহী।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment