দক্ষিণ ২৪ পরগনার (Baruipur Municipality) বারুইপুর পুরসভার আর্থিক লেনদেন ঘিরে উঠল প্রায় ৭ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ। পুরসভার ৪২টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মধ্যে ১৭টিতে আর্থিক গরমিলের দাবি করেছেন বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস। অভিযোগের ভিত্তিতে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগও দায়ের করেছেন তিনি। যদিও সমস্ত অভিযোগই ভিত্তিহীন বলে দাবি পুরসভা চেয়ারম্যান শক্তি রায়চৌধুরীর।
Baruipur Municipality: ১৭টি অ্যাকাউন্টে গরমিলের অভিযোগ
অভিজিৎ দাসের দাবি, ২০২৩ সালের CAG রিপোর্টে বারুইপুর পুরসভার আর্থিক অনিয়মের একাধিক তথ্য রয়েছে। প্রায় ৬ কোটি ৭০ লক্ষ ৭২ হাজার ৯৬৭ টাকার কোনও হিসাব পাওয়া যায়নি বলেও অভিযোগ তাঁর। বিষয়টি তদন্ত করে FIR করার দাবি জানিয়েছেন তিনি। চেয়ারম্যান শক্তি রায়চৌধুরী এবং ভাইস চেয়ারম্যান গৌতম দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে প্রশাসক নিয়োগের দাবিও জানিয়েছেন বিজেপি নেতা।
Baruipur Municipality: ‘দুর্নীতির আখড়া’ বলে তোপ বিজেপি নেতার
অভিজিৎ দাসের আরও অভিযোগ, গত ১৫ বছরে তৃণমূল পরিচালিত পুরসভায় কোটি কোটি টাকা এলেও প্রত্যাশিত উন্নয়ন হয়নি। ২০১৭ থেকে ২০২৬ এই কয়েক বছরে গৌতম কুমার দাসের সম্পত্তি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি এবং অর্থের উৎস তদন্তের দাবি জানান। তদন্তের স্বার্থে সব তথ্য এখনই প্রকাশ করা সম্ভব নয় বলেও জানান তিনি। বিষয়টি নিয়ে SP-কে SIT গঠনের দাবিও জানিয়েছেন।
‘প্রমাণ হলে রাজনীতি ছাড়ব’, চ্যালেঞ্জ চেয়ারম্যানের
চেয়ারম্যান শক্তি রায়চৌধুরীর পাল্টা দাবি, কোথায়, কোন খাতে এবং কোন সময়ের টাকার গরমিল হয়েছে, অভিযোগে তা স্পষ্ট নয়। তাঁর বক্তব্য, পুরসভা বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা খরচের পর UC বা Utilisation Certificate জমা দেয় এবং তা অনুমোদিত হওয়ার পরই পরবর্তী অর্থ আসে। তাই CAG রিপোর্টের দাবি না বুঝেই অভিযোগ করা হচ্ছে বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।
(Baruipur Municipality) শক্তি রায়চৌধুরীর চ্যালেঞ্জ, “যদি প্রমাণ করতে পারে যে আমি চেয়ারের মর্যাদা কলুষিত করেছি, রাজনীতি ছেড়ে দেব। রাজ্য সরকার যে শাস্তি দেবে, মাথা পেতে নেব।”
মধ্যমগ্রামে দিনে দুপুরে ভেল্কিবাজি, ৩৮০০ টাকার ইলিশ নিয়ে ‘ভ্যানিশ’ মহিলা












1 thought on “বারুইপুর পুরসভায় কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ, চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে FIR”