মেছুয়া ফলপট্টির ঋতুরাজ হোটেল থেকে মিঞাঁ গলির ‘শিখা ইন’। কলকাতার একের পর এক হোটেলে আগুনের ঘটনা সামনে আসতেই প্রশ্ন উঠেছিল অগ্নিসুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে। এ বার সেই গাফিলতির বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ করল কলকাতা পুরসভা। সূত্রের খবর, শহরের ৯১৯টি হোটেল ও গেস্ট হাউজ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। (Kolkata Hotels Closed)
৯৬৩ হোটেলে চলছে অভিযান
কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে মোট ৯৬৩টি হোটেলে অগ্নিসুরক্ষা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ, দমকল এবং কলকাতা পুরসভার যৌথ দল এই অভিযান চালাচ্ছে। এখনও পর্যন্ত মাত্র ৪১টি হোটেলের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়ে সন্তুষ্ট হয়েছে নজরদারি দল। বাকি হোটেলগুলিতে একাধিক গাফিলতি ধরা পড়েছে বলে সূত্রের খবর। অগ্নিসুরক্ষা বিধি না মানার পাশাপাশি অনেক হোটেলের বৈধ ট্রেড লাইসেন্স বা প্রয়োজনীয় ছাড়পত্রও নেই। তাই আপাতত বন্ধের নোটিস দেওয়া হয়েছে। (Kolkata Hotels Closed)
ঋতুরাজ থেকে ‘শিখা ইন’
গত বছরের ২৯ এপ্রিল মেছুয়ার ফলপট্টির ঋতুরাজ হোটেলে ভয়াবহ আগুন লাগে। ঘটনায় দুই শিশুসহ ১৪ জনের মৃত্যু হয়। তদন্তে সামনে আসে হোটেলে যথাযথ অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না। ছাদে ওঠা এবং বাইরে বেরনোর বিকল্প পথও বন্ধ ছিল। এর পর চলতি বছরের ১৯ অগস্ট দমকলের সদর দপ্তরের কাছেই মিঞাঁ গলির ‘শিখা ইন’-এ আগুন লাগে। ঘটনায় বাংলাদেশের নাগরিক-সহ ন’জনের মৃত্যু হয়। এই ঘটনাতেও অগ্নিসুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
পুজোর আগে বাড়ছে চিন্তা
‘শিখা ইন’-এর ঘটনার পর কলকাতা পুরসভার ১৬টি বরো এলাকায় হোটেল ও গেস্ট হাউজে বিশেষ অভিযান চালানো হয়। পুজোর আগে এতগুলি হোটেল বন্ধ হওয়ায় ব্যবসায়ীদের একাংশ আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন। পর্যটকদের বুকিং নিয়েও সমস্যা হতে পারে।
তবে পুরসভা সূত্রে খবর, নিয়ম মেনে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ঠিক করে ফের আবেদন করলে সংশ্লিষ্ট হোটেলগুলিকে আবার অনুমতি দেওয়া হতে পারে। (Kolkata Hotels Closed)










1 thought on “আচমকা কলকাতায় প্রায় এক হাজার হোটেল বন্ধের নোটিস, কেন এই সিদ্ধান্ত?”