উপহার দেওয়ার আগেই তা গলে গেল। বেলজিয়াম থেকে ভারত সফরের সময় বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ডে ওয়েভার ‘ইন্ডিয়া গেট’-এর একটি রেপ্লিকা চকলেট ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উপহার দেওয়ার জন্য নিয়ে আসছিলেন। কিন্তু সফরের মাঝেই রেপ্লিকাটি গলে যায়। যদিও সেকথা নরেন্দ্র মোদির সামনে স্বীকার করে নেন, বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী। বেলজিয়াম দূতাবাসের তরফে এই ছবি পোস্ট করে জানানো হয়, ‘নেক্সট টাইম’ (narendra modi)।
বেলজিয়াম দূতাবাসের তরফে আরও বলা (narendra modi) হয়, “প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ডি ওয়েভার বেলজিয়ামের তৈরি এই চকলেটটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উপহার জন্য ভেবেছিলেন। দুর্ভাগ্যবশত, এটি ভেঙে যায়! তবে প্রধানমন্ত্রী দৃঢ়প্রতিজ্ঞ যে, এটি পরবর্তী সময়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পৌঁছবে।”
narendra modi: কী বললেন বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী?
এই নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করে নরেন্দ্র মোদির সামনে বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ডি ওয়েভার বলেন, “এই ইন্ডিয়াগেটের বেলজিয়ান চকোলেট সংস্করণটি কিন্তু সেভাবে নিজেকে ধরে রাখতে পারেনি। আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বেলজিয়াম চকোলেট দিয়ে তৈরি ইন্ডিয়া গেটের একটি রেপ্লিকা উপহার দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলাম। কিন্তু ভারতে নিয়ে আসার পথে চকোলেটটি নষ্ট হয়ে গিয়েছে। আমাদের কাছে আরেকটি ব্যাকআপ রয়েছে এবং সেটি আমি প্রধানমন্ত্রী মোদির কাছে পৌঁছে দেব।”
তবে মশকরা করে বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “চকোলেট হল কূটনীতির জন্য সেরা, তবে কূটনৈতিক সফরের জন্য সেরা নয়।” বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য শুনে নিজের হাসি চেপে রাখতে পারেননি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, ইন্ডিয়া গেট এক গভীর বার্তা বহন করে এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সঙ্গে এর সংযোগের কথাও তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী ওয়েভার বলেন, “চকোলেট দিয়ে তৈরি এই ভাস্কর্যটিতে আমরা সেই খোদাই করা অংশের একটি বড় সংস্করণ ফুটিয়ে তুলেছি, যা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ফ্ল্যান্ডার্স ফিল্ডসে লড়াই করা ও প্রাণ উৎসর্গকারী ভারতীয় সৈন্যদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানায়।”
বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “এক শতাব্দীরও বেশি সময় আগে ভারতীয় সৈন্যরা বেলজিয়ামের মাটিতে লড়াই করতে হাজার হাজার মাইল পাড়ি দিয়েছিলেন। সেই কথা আমরা ভুলিনি। আমরা তাঁদের সাহস ও আত্মত্যাগকে ভুলিনি। এটি আমাদের নিজস্ব এবং আমাদের যৌথ ইতিহাসেরই একটি অংশ।”











No more endless loading screens. The login is instant and the connection is stable even on my mobile data. A very seamless gaming experience at jili588casinologin