কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস বা ডিলিমিটেশনের খসড়া তালিকা প্রকাশের পর এ বার শুরু হল দাবি ও আপত্তি জানানোর (ক্লেইম অ্যান্ড অবজেকশন) পর্ব। পুর ও নগর উন্নয়ন দফতর থেকে ১০ জন অফিসারকে নিয়োগ করা হয়েছে এরজন্য। আজ শুরু হলো ৯ জন অফিসারকে দিয়ে। বিজেপি, সিপিএম, তৃণমূল কংগ্রেস এবং কংগ্রেস সব দলের প্রতিনিধিরা আসেন অভিযোগ জানাতে। হেয়ারিংয়ের ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন কলকাতা পুরসভার কমিশনার ও প্রশাসক স্মিতা পাণ্ডে। শুনানি আজ সকাল ১১ টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে। একইভাবে এই শুনানি সোমবার মঙ্গলবার এবং বুধবার পর্যন্ত চলবে (KMC)।
KMC: ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের শুনানি নিয়ে কী বললেন স্মিতা পাণ্ডে?
কলকাতা পুরসভার কমিশনার ও প্রশাসক স্মিতা পাণ্ডের বক্তব্য, “পুর ও নগর উন্নয়ন দফতর থেকে ১০ জন অফিসার পাঠানো হয়েছে শুনানির জন্য। চার দিন ধরে চলবে। যারা আবেদন করেছিলেন তাদের জন্য শুনানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। সোমবার একটি সাংবাদিক সম্মেলন করে বিস্তারিত জানাব। পুজোর আগে একটু পরিষ্কার তো করতে হবে। আমাদের টিম গিয়ে কী কী ঘাটতি আছে সেইগুলো দেখে এসেছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ফায়ার লাইসেন্স এবং বিল্ডিং-এর কিছু খামতি ছিল। তারা যদি এগুলো ঠিক করে নেয় ভালো। আমরা একটা গাইডলাইন বের করছি সেই মতো জানিয়ে দেবো।”
অন্যদিকে অশোক সিনহার নেতৃত্বে ৪ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে শুনানিতে যোগ দেয় বিজেপি। তিনি বলেন, “সবটাই সঠিকভাবে হচ্ছে। অনেক ওয়ার্ডেই ভোটার সংখ্যা অনেক বেশি আবার কোথাও কম। তবে তার মধ্যে কিছু পার্ট এদিক ওদিক হয়েছে সেগুলোই জানাতে এসেছিলাম।”
প্রাক্তন সিপিএম কাউন্সিলর নন্দিতা রায় আশ্বস্ত হয়ে জানানা, যে পদ্ধতিতে অফিসাররা শুনানি করছেন তাতে খুশি হয়েছেন তিনি। পুরনো নিজের ওয়ার্ড সন্তোষপুরের কিছু পার্ট নাম্বার নিয়ে তার অভিযোগ ছিল সেগুলি এদিন তিনি জানিয়েছেন।
অভিযোগ জানালেন তৃণমূল কংগ্রেসের কালীঘাট পন্থী যুবনেতা মৃত্যুঞ্জয় পাল এবং সৌম্য বক্সী। উত্তর কলকাতা ও জোড়াসাঁকো বিধানসভার এলাকায় বেশ কিছু জায়গা নিয়ে অভিযোগ জানালেন তাঁরা। কালীঘাটপন্থী তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা অঞ্জন দাস এবং প্রাক্তন কাউন্সিলর তপন দাশগুপ্ত সহ তৃণমূল নেতারাও আসেন। কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস নিয়ে এই শুনানি চলবে বুধবার পর্যন্ত।










