লোন নিয়ে গাড়ি কিনেছিলেন তরুণী। কিন্তু গাড়ি লোনের ভেরিফিকেশনের প্রয়োজন। তবে সেই ভেরিফিকেশন করতে রাজি হননি বাবা। আর সেই কারণেই বাবা-মেয়ের মধ্যে শুরু হয় বচসা। অভিযোগ, সেই ঝামেলা গড়ায় হাতাহাতি পর্যন্ত। কিন্তু এর কিছুক্ষণ পরেই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। অভিযোগ, হাতে পিস্তল নিয়ে বাড়িতে হাজির হন মেয়ে। বাবা ও বৌদির দিকে পিস্তল তাক করে গুলি চালানোর হুমকিও দেন তিনি। গোটা ঘটনার কিছুটা অংশ ধরা পড়েছে বাড়ির সিসিটিভি ক্যামেরায়। ঘটনাটি উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদের সাহিবাবাদ এলাকার বৃন্দাবন গার্ডেন কলোনিতে। ঘটনার পর থানায় অভিযোগ করেছেন অভিযুক্ত তরুণীর বাবা হিতেশ তোমর। তদন্তে নেমেছে পুলিশ।
Ghaziabad Incident: লোনের ভেরিফিকেশন থেকেই ঝামেলার শুরু
পুলিশের কাছে করা অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৮ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টা নাগাদ বাবার বাড়িতে আসেন প্রিয়াঙ্কা তোমর। প্রায় আড়াই বছর ধরে তিনি পরিবারের সঙ্গে থাকেন না। ওই দিন এক মহিলা বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে বাড়িতে এসেছিলেন তিনি।গাড়ির লোনের জন্য প্রয়োজনীয় ভেরিফিকেশন করতে বাবাকে অনুরোধ করেন প্রিয়াঙ্কা। কিন্তু হিতেশ তাতে রাজি হননি। এরপরই দু’জনের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। অভিযোগ, কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই ঝামেলা গালিগালাজ ও হাতাহাতিতে পৌঁছে যায়। প্রিয়াঙ্কা তাঁর বাবাকে মারধর করেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
হিতেশের বৌমা তখন তাঁদের থামাতে এগিয়ে এলে তাঁর সঙ্গেও প্রিয়াঙ্কার ধস্তাধস্তি হয় বলে অভিযোগ। চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা সেখানে চলে আসেন। এরপর প্রিয়াঙ্কা ও তাঁর বন্ধু বাড়ি থেকে চলে যান।
এক ছবি ও তার হাজার রূপ, ঘিবলি থেকে ভিনটেজ, কীভাবে বদলাল AI দিয়ে ছবি তৈরি
২৫ মিনিট পর হাতে পিস্তল নিয়ে ফেরেন
অভিযোগ, প্রায় ২৫ মিনিট পর প্রিয়াঙ্কা ও তাঁর বন্ধু ফের বাড়িতে আসেন। তাঁরা মূল গেট খুলে জোর করে বাড়িতে ঢুকে পড়েন বলেও অভিযোগ। এরপর প্রিয়াঙ্কা পিস্তল বের করে তাঁর বাবা ও বৌদির দিকে তাক করেন এবং তাঁদের গুলি করে দেওয়ার হুমকি দেন বলে অভিযোগ। (Ghaziabad Incident)
বাড়ির সিসিটিভিতে ঘটনার কিছুটা অংশ ধরা পড়েছে। ফুটেজে প্রিয়াঙ্কাকে হাতে পিস্তল নিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ভয়ে হিতেশ ও তাঁর বৌমা বাড়ির দোতলায় চলে যান। পরে প্রিয়াঙ্কা ও তাঁর বন্ধু সেখান থেকে চলে যান।
থানায় অভিযোগ দায়ের, তদন্তে পুলিশ
৯ সেপ্টেম্বর সাহিবাবাদ থানায় প্রিয়াঙ্কা ও তাঁর বন্ধুর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন হিতেশ। সাহিবাবাদের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার অফ পুলিশ অমিত সাক্সেনা জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের খুঁজতে তল্লাশি চলছে। সিসিটিভি ফুটেজ-সহ অন্যান্য প্রমাণও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্তদের পাওয়া গেলে সমস্ত তথ্য প্রমাণ খতিয়ে দেখে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।









