নির্বাচন কমিশন SIR-এর ঘোষণার পরে রাজ্যে একের পর এক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে (SIR News)। অধিকাংশ মৃত্যু SIR-এর জন্য বলে দাবি করা হয়। এ বার আরও একটি ঘটনা ঘটল। স্থানীয় সূত্রে খবর, গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হন বছর ৩৫ এর জনি শেখ নামে এক যুবক। তিনি বীরভূমের রামপুরহাট পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ছিলেন। পরিবার সূত্রে খবর, দীর্ঘদিন ধরেই SIR সংক্রান্ত কাগজপত্র না থাকায় চরম মানসিক দুশ্চিন্তায় ভুগছিলেন জনি শেখ। আগে তিনি ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের রেলের জায়গায় বসবাস করতেন। পরে রেল কর্তৃপক্ষ বস্তি উচ্ছেদ করলে তিনি ভাড়াবাড়িতে থাকতে শুরু করেন।
১৪ নম্বর ওয়ার্ডে মোট ১৭৩ জন ভোটারের নাম SIR Hearing-এর তালিকায় ওঠে। আগামী ২১ জানুয়ারি ছিল সেই হিয়ারিংয়ের দিন। বেশ কিছু দিন ধরেই হিয়ারিং নিয়েই প্রবল আতঙ্কের মধ্যে ছিলেন জনি শেখ। কাজকর্মেও বিশেষ মন দিতে পারছিলেন না তিনি। হিয়ারিং-এর আতঙ্কই তাকে গ্রাস করছিল। কিভাবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করবেন তা ভেবে উঠতে পারছিলেন না তিনি।
পরিবারের দাবি, ভোটার সংক্রান্ত ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা ও প্রশাসনিক চাপেই তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। রবিবার রাতে ভাড়াবাড়ি থেকেই জনি শেখের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়।
খবর পেয়ে রামপুরহাট থানার পুলিশ দ্রুত সেখানে পৌঁছয়। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়। এই ঘটনার জেরে গোটা এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। পাশাপাশি ফের উঠছে প্রশ্ন, এসআইআর প্রক্রিয়া কি সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয় ও আতঙ্ক তৈরি করছে? প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও শুরু হয়েছে চর্চা।









