অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া চলাকালীন জর্ডানের গির্জায় হামলা। এলোপাথারি গুলিতে নিহত ৭ জন। আহত প্রায় ৪০। জর্ডানের রাজধানী আম্মান থেকে প্রায় ১৮০ কিলোমিটার দূরে কারাক শহরের একটি গ্রিক অর্থোডক্স গির্জায় কয়েকজন বন্দুকধারী ঢুকে হামলা চালায় বলে অভিযোগ (Jordan firing)।
Jordan firing: জর্ডানের গির্জায় গোলা-গুলি
জর্ডানের সংবাদমাধ্যমে সম্প্রচারিত ভিডিয়োতে দেখা গেছে, পিস্তল হাতে দু’জন বন্দুকধারী গির্জার দিকে গুলি চালাতে চালাতে এগিয়ে আসছেন। এরপর আরও এক ব্যক্তি হাতে রাইফেল নিয়ে গুলি চালাতে চালাতে গির্জার দিকে এগিয়ে যায়। ওই দলে মোট ৩ জনকে গুলি চালাতে দেখা যায়। ভিডিয়োতে গির্জার মেঝেতে ভাঙা কাচ এবং রক্তের দাগও লক্ষ্য করা যায় (Jordan firing)।
গির্জায় প্রার্থনা করতে আসা এক ব্যক্তি জানান, শেষকৃত্য শুরুর ১৫ মিনিট পর প্রচণ্ড গোলাগুলি শুরু হয় এবং মানুষজন এদিক-ওদিক ছুটতে থাকে। তিনি বলেন, “পরিস্থিতিটি অত্যন্ত জটিল ছিল, গুলির বর্ষণ হচ্ছিল।” তবে তিনি জানান, তিনি বন্দুকধারীদের দেখেননি।
সরকারি এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এখনও পর্যন্ত হামলাকারীদের কোনও পরিচয় পাওয়া যায়নি। তবে কোনও বন্দুকধারীকে আটক বা হত্যা করা হয়েছে কি না, তা উল্লেখ করা হয়নি। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “তদন্ত পুরোদমে চলছে।” জর্ডানের পেট্রা নিউজ এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনায় তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। এই ঘটনায়, জর্ডানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইব্রাহিম আল-বুদুর জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। জর্ডানের রাজা দ্বিতীয় আবদুল্লাহ ‘এক্স’-এ লিখেছেন, কারাকে চালানো এই সন্ত্রাসবাদী হামলার ঘটনায় কঠোরতম শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। তিনি শহিদদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।
অন্যদিকে, ২০১৬ সালে কারাক শহরে পুলিশের ওপর হামলা চালায় কিছু বন্দুকধারী কিছু দুষ্কৃতীরা। শহরের জনপ্রিয় একটি ক্রুসেডার দুর্গেও হামলা চালানো হয়। এই ঘটনায় ৭ পুলিশ সদস্যসহ মোট ১০ জন নিহত হন এবং বহু মানুষ আহত হন। দীর্ঘ সময় ধরে চলা লড়াইয়ের পর জর্ডানের নিরাপত্তা বাহিনী ওই বন্দুকধারীদের নিকেশ করতে সমর্থ হন।













1 thought on “জর্ডানের গির্জায় এলোপাথরি গুলি, নিহত ৭, আহত বহু”
Comments are closed.