ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হারের পরেই কি দেশ ছাড়লেন (Flavio Bolsonaro) ফ্লাভিও বলসোনারো? নির্বাচনের ফল প্রকাশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রক্ষণশীল সেনেটরের দেশ ছাড়ার খবর ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য। ফোলহা দে সাও পাওলো-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে পাসপোর্ট জমা দেওয়ার সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ায় তাঁর পাসপোর্ট বাতিল করেছে ব্রাজিলের ফেডারেল পুলিশ। তবে ফ্লাভিও সত্যিই দেশ ছেড়েছেন কি না, তার কোনও সরকারি প্রমাণ এখনও মেলেনি।
Table of Contents
পাসপোর্ট বাতিল, কোথায় ফ্লাভিও?
ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকালে (Flavio Bolsonaro) ফ্লাভিওর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁর সহযোগীরা কোনও উত্তর পাননি। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি আলেকজান্দ্রে দে মোরায়েস তাঁর বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন। সাধারণ ও কূটনৈতিক—দু’টি পাসপোর্টই জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন ফ্লাভিও নিজেই সোমবার সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিয়োয় এই নির্দেশের কথা জানান। তাঁর দাবি, ভাই এদুয়ার্দোর মন্তব্যের পরেই এই পদক্ষেপ করা হয়। এদুয়ার্দো বলেছিলেন, নির্বাচনে হারলে ফ্লাভিওর ব্রাজিল ছেড়ে চলে যাওয়া উচিত।
আর্জেন্টিনা হয়ে আমেরিকা যাওয়ার জল্পনা
সংবাদমাধ্যম ইনফোবের দাবি, (Flavio Bolsonaro) ফ্লাভিও ব্রাজিলের সীমান্তবর্তী আর্জেন্টিনার মিসিওনেস প্রদেশ দিয়ে প্রতিবেশী দেশে ঢুকেছেন এবং সেখান থেকে আমেরিকা যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। তবে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেইয়ের প্রেস সচিব এই খবর অস্বীকার করেছেন। আর্জেন্টিনার মুখপাত্র আদ্রিয়ান রাভিয়েরও জানিয়েছেন, ফ্লাভিওর তরফে রাজনৈতিক আশ্রয়ের কোনও আবেদন জমা পড়েনি। ব্রাজিলের পুলিশও সরকারি অভিবাসন চৌকি দিয়ে তাঁর দেশত্যাগের কোনও নথি পায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে আর্জেন্টিনার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে।
বাবার মতোই আইনি জটিলতায় ফ্লাভিও
৪৫ বছরের (Flavio Bolsonaro) ফ্লাভিও প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর বড় ছেলে। ২০২২ সালে লুলার কাছে হেরে জাইর আমেরিকায় চলে গিয়েছিলেন। পরে দেশে ফিরে নির্বাচনী ব্যবস্থা নিয়ে মিথ্যা দাবি ছড়ানোর অভিযোগে আট বছরের জন্য সরকারি পদে থাকার অযোগ্য ঘোষিত হন। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্রে দোষী সাব্যস্ত জাইরকে দু’মাস পরে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে ২৭ বছরের সাজা ভোগ করছেন তিনি।
দুর্নীতি ও বিদেশি অর্থায়নের তদন্ত
(Flavio Bolsonaro) ফ্লাভিওর বিরুদ্ধে অর্থ পাচার, দুর্নীতি ও কর ফাঁকির অভিযোগে অন্তত দু’টি ফেডারেল তদন্ত চলছে। ব্যর্থ ঋণদাতা ব্যাঙ্ক মাস্টারের প্রাক্তন মালিক ড্যানিয়েল ভোরকারোর সঙ্গে তাঁর যোগসূত্র রয়েছে বলে অভিযোগ। বাবাকে নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য ভোরকারোর কাছে অর্থ চাওয়ার কথা স্বীকার করলেও অন্যায়ের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফ্লাভিও। অর্থ পাচারের অভিযোগে তদন্তাধীন এক আইনজীবীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্কও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। মঙ্গলবার এক বিচারপতি ফ্লাভিওর নির্বাচনী প্রচারে সম্ভাব্য বেআইনি বিদেশি অর্থায়ন নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। অভিযোগে আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে যুক্ত একটি গোষ্ঠীর নামও রয়েছে। তবে এতে বেআইনি অর্থায়ন প্রমাণিত হয়নি। ভ্যান্সের দফতর কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
বাংলাদেশে ফের আক্রান্ত হিন্দু, জমির ঝামেলা মেটাতে গিয়ে খুন স্কুলশিক্ষক











