কালীপুজো নিয়ে এবার নয়া নির্দেশিকা জারি করল নবান্ন। ‘চোরবাগান’ থেকেই শিক্ষা নিয়ে এবার কালীপুজোতে সতর্ক প্রশাসন। যান নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে বাজি ফাটানো- সব ক্ষেত্রেই করা হবে নিয়ন্ত্রণ। সোমবার এই নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে রাজ্যের তরফে। কালীপুজোয় পরিবেশবান্ধব শব্দবাজি ফাটানোর সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে (kali puja)।
kali puja: কখন বাজি পোড়ানো যাবে?
সন্ধ্যে ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত পরিবেশবান্ধব সবুজ বাজি ফাটানো যাবে। আগামী ১০ থেকে ১২ নভেম্বরের মধ্যে প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন করতে হবে। বিসর্জনের শোভাযাত্রায় কোনওরকম শব্দবাজি ফাটানো যাবে না, ডিজে বাজানো যাবে না। অন্যদিকে, লাউডস্পিকার ও সাউন্ড বক্স ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে কলকাতা পুলিশ। সকাল ৭টা থেকে বেলা ১১টা এবং সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত লাউড স্পিকার ব্যবহার করা যাবে।
আপৎকালীন পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে প্রত্যেক পুজো কমিটিকে ইমার্জেন্সি ইভাকুয়েশন প্ল্যান তৈরি রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনওরকম দুর্ঘটনা, অগ্নিকাণ্ড কিংবা অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হলে কীভাবে দ্রুত দর্শনার্থীদের নিরাপদে বের করে আনা হবে, তার আগাম পরিকল্পনা রাখতে হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আরও নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে যে, পুজো কমিটির তরফে মণ্ডপে দর্শনার্থীদের জন্য কখনও কোনও গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করতে হলে পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই তা করতে হবে। প্রয়োজনে পুলিশকর্মীর উপস্থিতিতে ঘোষণা করতে হবে।
কোলাঘাটে ৬০০ কেজি নিষিদ্ধ বাজি উদ্ধার
এই নির্দেশিকার পরেই রাজ্যজুড়ে সর্বত্র চলেছে ব্যাপক ধরপাকড়। পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাট থেকে ৬০০ কেজি নিষিদ্ধ বাজি উদ্ধার করল পুলিশ প্রশাসন। সোমবার কোলাঘাটের পয়াগ গ্রামেও চলে পুলিশি তল্লাশি অভিযান। তল্লাশি অভিযানে উদ্ধার হয় এই বিপুল পরিমান বাজি। জানা গিয়েছে, পয়াগ গ্রামে ৩০ থেকে ৩৫টি পরিবার বাজি তৈরির সঙ্গে যুক্ত। বাড়িতেই তৈরি হয় প্রচুর পরিমাণে বাজি। তৃণমূল আমলে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় নিষিদ্ধ বাজি তৈরির কারখানার হদিশ মিলেছিল। বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে অতীতে একাধিক মানুষের মৃত্যুও হয়েছে। রাজ্যে বিজেপি সরকারের আমলে প্রশাসন নিষিদ্ধ শব্দবাজি উদ্ধারকাজে নেমেছে।











