এবার কি পাল্টা দেবার পালা ইরানে? যুদ্ধের আঁচ এবার মার্কিন ভূখণ্ডে ! ক্যালিফোর্নিয়ার পশ্চিম তটভূমিতে ভয়ংকর ড্রোন হামলা চালাতে পারে ইরান, এই বিষয়ে সতর্ক করল ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)। যুদ্ধে তপ্ত পশ্চিম এশিয়া। ইরানের ভূখণ্ডে মুহুর্মুহু হামলা চালাচ্ছে আমেরিকা ও ইজরায়েল (Iran Drone Attack)। এই অবস্থায় পাল্টা মার্কিন ভূখণ্ডে হামলার ছক কষছে তেহরান। আর ঠিক এই ভাষাতেই ক্যালিফোর্নিয়া প্রশাসনকে সতর্ক করেছে এফবিআই।
সতর্ক করা মাত্রই বিপদ বুঝে প্রস্তুতি নিচ্ছে আমেরিকা। শুক্রবার আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ সামরিক বিমানগুলির মধ্যে একটি, ডুমসডে বিমান। সেটিকে ক্যালিফোর্নিয়ার আকাশে চক্কর কাটতে দেখা গেছে। বিমানটিকে ফ্রেসনো শহরের উপরে অনেক নিচু দিয়ে উড়তে দেখা গেছে।
এফবিআই সতর্ক করে দিয়েছে, যে ইরান একটি অফশোর জাহাজ থেকে ড্রোন দিয়ে আমেরিকার পশ্চিম উপকূলে হামলা চালানোর চেষ্টা করতে পারে। সেই সতর্কতার পর থেকেই প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে কোনও খামতি রাখছে না আমেরিকা।
প্রসঙ্গত, আমেরিকা ও ইজরায়েলের লাগাতার হামলার পরেও পিছু হটতে রাজি নয় ইরান। ‘বিশ্বের জ্বালানির লাইফলাইন’ হরমজু প্রণালীতে তুরুপের তাস করেছে ইরান। মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশ এবং ইজরায়েলকে বহুবার প্রত্যাঘাত করছে। ইরাকের বাণিজ্যবন্দর আল-ফ-তে একটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে তেহরান।
অন্যদিকে কুয়েত, কাতার, আরব আমিরশাহী এবং সৌদি আরব জানিয়েছে, ওই দেশগুলিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র (Iran Drone Attack) হামলা হলেও তা রুখে দেওয়া হয়ছে। এদিকে সংঘাতের মধ্যেই শান্তি ফেরাতে তিন শর্ত দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। সেগুলি হল, সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে তেহরানের অধিকারের স্বীকৃতি, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং ভবিষ্যতে আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে। রাষ্ট্রসংঘের মতো আন্তর্জাতিক সংগঠনের গ্যারান্টি দিতে হবে।
সৌদি আরবের দাবি, ইরানের হামলায় তাদের একটি তেলবাহী জাহাজে আগুন ধরে গিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, একাধিক হামলায় হরমজুকে অবরুদ্ধ করার কৌশল নিয়েছে ইরান। এর ফলে চাপ বাড়বে আমেরিকা ও ইজরায়েলের উপরে।












