২৩৪ আসনের বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ১১৮। টিভিকে একাই পেয়েছে ১০৮টি আসন (বিজয়ের জয়ী দুটো আসনের মধ্যে একটি বাদে ১০৭)। নির্বাচনের পর দ্রুত আলোচনায় কংগ্রেস, ভিডিউথালাই চিরুথাইগল কাচ্চি (ভিসিকে), সিপিআই ও সিপিআই(এম)সহ অন্য দলের সমর্থন জোগাড় করে টিভিকে ১২০ জন বিধায়কের সমর্থন নিশ্চিত করে। কংগ্রেসের পাঁচ বিধায়ক, ভিসিকে ও বাম দলের দু’জন করে এবং আইইউএমএলের দুই বিধায়কের সমর্থনে সরকার গঠনের পথ স্পষ্ট হয়। সিপিআই(এম) শর্তহীন সমর্থন করায় বিজয় সরকার গঠন করতে পেরেছেন। এক ফলে তিনি ৯ মে অর্থাৎ, শনিবার সকাল ১১টায় শপথ নেবেন। (Vijay Tamilnadu CM )
বিজয় বৃহস্পতি ও শুক্রবার মিলিয়ে তৃতীয়বার রাজ্যপালের দ্বারস্থ হন। আগের দু’বার সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণে ঘাটতি থাকায় অনুমতি মেলেনি। এ নিয়ে বিরোধীদের তীব্র সমালোচনা ও প্রতিবাদ হয়। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খার্গে ও রাহুল গান্ধী শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। খার্গে ভিসিকে প্রধান থোল থিরুমাভালাভানসহ অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে সমর্থন জোগাড়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন বলে জানা গিয়েছে। (Vijay Tamilnadu CM )
নির্বাচনে টিভিকে-র অভিষেক ঘটেছে দুর্দান্তভাবে। অভিনেতা-রাজনীতিক বিজয় পেরাম্বুর ও তিরুচিরাপল্লী ইস্ট কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন। নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে একটি আসন ছাড়তে হবে। ৪ মে-র ফলাফলে কোনও দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় জোরদার দর কষাকষি শুরু হয়। কংগ্রেসের সমর্থন ঘোষণার পর ডিএমকে-র সঙ্গে তাদের সম্পর্কে বড় ধরনের ফাটল দেখা দেয়। ডিএমকে নেতারা কংগ্রেসের এই সিদ্ধান্তকে ‘পিঠে ছুরি মারা’ বলে তীব্র সমালোচনা করেছেন। (Vijay Tamilnadu CM )
রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের এই ঘটনা তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল। বিজয়ের নেতৃত্বে টিভিকে-র এই সাফল্য এখন থেকে রাজ্যের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার দিকে কতটা অগ্রসর হয়, সেদিকেই নজর থাকবে সবার।











