কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ গোটা দেশ। তাঁর স্মৃতিতে পুরীর সমুদ্র সৈকতে গড়ে উঠল বালি দিয়ে তৈরি ২০ ফুট লম্বা বীণা। বিশিষ্ট বালুকাশিল্পী সুদর্শন পট্টনায়েকের দক্ষ হাতের ছোঁয়ায় তৈরি এই ভাস্কর্য এখন জগন্নাথ ধামের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। (Tribute to Asha Bhosle)
১২ এপ্রিল ২০২৬ সালে ৯২ বছর বয়সে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন পদ্মবিভূষণ সম্মানিত আশা ভোঁসলে। তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই সারা দেশে শোকের ছায়া নেমে আসে। মৃত্যুর পরের দিনেই পুরী সমুদ্রতীরে সুদর্শন পট্টনায়েক ও তাঁর বালুকাশিল্প প্রতিষ্ঠানের ছাত্ররা মিলে তৈরি করেন এই অসাধারণ শিল্পকর্ম। বীণার গায়ে খোদাই করা রয়েছে – ‘আশা তাই-কে শ্রদ্ধাঞ্জলি। আপনার কণ্ঠ চিরকাল আমাদের হৃদয়ে বেঁচে থাকবে।’বালুর বীণায় সুরের স্মৃতি! সঙ্গীতের প্রতি গভীর ভক্তি ও শিল্পীর প্রতি অসীম শ্রদ্ধার প্রতীক হয়ে উঠেছে এই ভাস্কর্য। সুদর্শন পট্টনায়েক বলেন, “আমরা ছোটবেলা থেকেই আশাজির গান শুনে বড় হয়েছি। ওঁর কণ্ঠ আমাদের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবে।” বীণা তৈরির সময় সমুদ্রের ধারে পর্যটকদের ভিড় উপচে পড়ে। অনেকে ছবি তুলে স্মৃতি ধরে রাখেন।(Tribute to Asha Bhosle)
সুদর্শন পট্টনায়েক এর আগেও এইডস সচেতনতা, কোভিড-১৯, প্লাস্টিক দূষণ কমানো ও পরিবেশ সংরক্ষণের মতো গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক বার্তা বালুর শিল্পের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন। আশা ভোঁসলের প্রতি এই শ্রদ্ধাঞ্জলি তাঁর সেই ধারাবাহিকতারই অংশ। সমুদ্রের ঢেউয়ের সঙ্গে যেন মিশে গেছে সুরসম্রাজ্ঞীর অমর কণ্ঠের স্মৃতি।(Tribute to Asha Bhosle)১৩ এপ্রিল, আজ বিকেল চারটেয় শিবাজি পার্কে আশা ভোঁসলের শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।
আরও পড়ুন: Amarnath Yatra Registration : শুরু হচ্ছে অমরনাথ যাত্রার রেজিস্ট্রেশন, পুরো প্রক্রিয়া জানুন













ভাল লাগলো। কিন্তু আর একটু বিস্তারিত হলে ভাল হয়। শুভেচ্ছা রইল