রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

বাজার থেকে নয়, নিজের হাতে গাঁথা মালাতেই বেশি খুশি হন ভগবান? কী বলছে শাস্ত্র?

Published on: August 4, 2026
Astro Tips
---Advertisement---

ঈশ্বরের পুজোয় ফুলের মালা অর্পণ করা হিন্দু সনাতন ধর্মের বহু প্রাচীন ও পবিত্র একটি প্রথা। দেব-দেবীর বিগ্রহে টাটকা ও সুগন্ধি ফুলের মালা পরিয়ে ভক্তি নিবেদন করার রীতি যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। তবে এখনকার ব্যস্ত জীবনে অনেকেই বাজার থেকে তৈরি মালা কিনে এনে পুজোয় ব্যবহার করেন। তাই অনেক ভক্তের মনেই প্রশ্ন জাগে—নিজের হাতে গাঁথা মালা ভগবানকে পরানো কি বেশি শুভ, নাকি বাজার থেকে কেনা মালা দিলেও একই ফল পাওয়া যায়?

Astro Tips: নিজের হাতে গাঁথা মালাকেই বেশি গুরুত্ব দেয় শাস্ত্র

শাস্ত্রজ্ঞ ও পণ্ডিতদের মতে, বাজার থেকে কেনা মালার তুলনায় নিজের হাতে ভক্তি, নিষ্ঠা ও ভালোবাসা দিয়ে গাঁথা ফুলের মালা ঈশ্বরকে অর্পণ করাই সবচেয়ে শুভ এবং শাস্ত্রসম্মত। কারণ, পুরাণ ও বিভিন্ন শাস্ত্রগ্রন্থে বলা হয়েছে, ভগবান কোনও জিনিসের দাম বা বাহ্যিক চাকচিক্য দেখেন না। তিনি ভক্তের আন্তরিকতা, বিশ্বাস এবং ভক্তিভাবই গ্রহণ করেন।

ভগবত গীতায় কী বলেছেন শ্রীকৃষ্ণ?

শ্রীমদ্ভগবদ্গীতায় শ্রীকৃষ্ণ নিজেই বলেছেন— “পত্রং পুষ্পং ফলং তোয়ং যো মে ভক্ত্যা প্রযচ্ছতি…”অর্থাৎ, যে ব্যক্তি ভক্তিভরে আমাকে একটি পাতা, একটি ফুল, একটি ফল বা সামান্য জলও অর্পণ করে, আমি তাই আনন্দের সঙ্গে গ্রহণ করি। এই শ্লোক থেকেই স্পষ্ট বোঝা যায়, ঈশ্বরের কাছে উপহারের মূল্য নয়, ভক্তির মূল্যই সবচেয়ে বেশি।

শ্রাবণে এই ৫ গাছ লাগান, মিলতে পারে শিবের আশীর্বাদ

কেন নিজের হাতে গাঁথা মালা?

শুধু টাকা দিয়ে কেনা মালার তুলনায় নিজের হাতে সময় নিয়ে, ধৈর্য ধরে এবং ভালোবাসা দিয়ে গাঁথা ফুলের মালায় অনুভূতির গভীরতা অনেক বেশি থাকে। একারণ কজন ভক্ত যখন ভগবানের জন্য নিজের হাতে মালা গাঁথেন, তখন তাঁর মন ধীরে ধীরে সংসারের নানা চিন্তা থেকে সরে এসে ঈশ্বরের ধ্যানেই মগ্ন হয়ে যায়। শাস্ত্রের মতে, এই মালা গাঁথার সময় ভক্ত যে একাগ্রতা ও ঈশ্বরচিন্তায় ডুবে থাকেন, তা এক ধরনের জপ বা ধ্যান হিসেবেও গণ্য করা হয়। (Astro Tips)

তাই শাস্ত্রের বক্তব্য অনুযায়ী, যদি সুযোগ থাকে, তাহলে নিজের হাতে ফুলের মালা গেঁথে ভগবানকে অর্পণ করাই সবচেয়ে শুভ। কারণ, ঈশ্বরের কাছে সবচেয়ে মূল্যবান হলো ভক্তের আন্তরিক ভালোবাসা, নিষ্ঠা এবং ভক্তিভাব—বাজার থেকে কেনা দামী মালা নয়।


Trishita Roy

স্কুলে পড়াকালীনই সাংবাদিকতার প্রতি আগ্রহ এবং ভালোবাসা থেকে এই পেশায় আসা। সমাজের মানুষের কাছে যেকোনো ঘটনার নির্ভুলভাবে তুলে ধরাই মূল লক্ষ্য। বর্তমানে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ উইমেন্স কলেজ ক্যালকাটা তে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন বিষয়ে স্নাতক স্তরে পাঠরতা। বিনোদন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক এবং রাজনৈতিক প্রতিবেদন লেখায় বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। অবসর কাটে সিনেমা দেখে, গান শুনে এবং বই পড়ার মাধ্যমে।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment