---Advertisement---

হড়পা বানে বিপর্যস্ত অরুণাচল প্রদেশ, হাই অ্যালার্ট জারি অসমে

June 24, 2026 6:56 PM
assam high alert
---Advertisement---

একটানা লাগাতার ভারী বৃষ্টি। বিপর্যস্ত অরুণাচল প্রদেশের একাংশ। বুধবার অরুণাচল প্রদেশের কেয়ি প্যানইওর জেলায় মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে হড়পা বানে প্লাবিত একাধিক জায়গা। ধস নেমেছে বহু জায়গায়। ধস নামার জেরে বন্ধ জাতীয় সড়কও। এই পরিস্থিতিতে অসমে জারি হয়েছে হাই অ্যালার্ট। উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে নদীর জলস্তর। বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা করছে অসম প্রশাসন (assam high alert)।

বুধবার অসম সরকরের জারি করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের ফলে ব্রহ্মপুত্র সহ বিভিন্ন নদে স্বাভাবিকের তুলনায় জলস্তর অনেক বেশি বেড়েছে। অববাহিকা এলাকাগুলিতে বন্যার সম্ভবনা রয়েছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে প্রশাসন।”

ইতিমধ্যেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে অসমের বন্যাপ্রবণ জেলাগুলির দিকে নজর রাখা হচ্ছে। রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (SDRF) ও জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (NDRF)-কে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে (assam high alert)।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে নীচু এলাকাগুলিতে মাইকিং করার কাজ শুরু হয়ে গেছে। বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন রিলিফ ক্যাম্পগুলো খোলার ব্যবস্থা করা হয়েছে। জলস্তর বাড়ায় নদীতে মৎস্যজীবীদের নৌকা নিয়ে নদীতে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

প্রতিবছরই বর্ষার সময়ে অসমে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়। ব্রহ্মপুত্রর জলের স্রোতে ভেসে যায় বহু মানুষের ঘর-বাড়ি-স্বপ্ন। সেই ক্ষত সারতে না সারতেই বছর ঘুরতেই ফের বিপর্যয় সামনে আসে। গতবছরও এই পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে অসম। বন্যায় প্রাণ হারিয়েছেন বহুজন (assam high alert)।

উল্লেখ্য, গতবছর অসমের ডিব্রুগড় এলাকায় বৃষ্টির জেরে ব্রহ্মপুত্র নদের জল বিপদসীমা ছুঁয়েছে। নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল অসমের লখিমপুরে ও সুবানসিরি এলাকা। গতবছর অসমের ২০টি জেলার প্রায় ৪ লক্ষ বাসিন্দা বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন। এবার ফের বন্যার আশঙ্কা। এখন একটাই চিন্তা ঘর-বাড়ি গুলো বাঁচবে তো?

আরও পড়ুন: মুম্বইয়ে মৌসুমীর তাণ্ডব! ২৪ ঘণ্টায় ৩০০ মিমি বৃষ্টি, জলে ভাসছে দাদর-আন্ধেরি, জারি লাল সতর্কতা


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Join Now

Leave a Comment