বুধবারই CJP-র দুই শীর্ষ নেতা সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া দ্বিতীয় মামলাটিও ক্রাইম ব্রাঞ্চে হস্তান্তর করে দিল্লি পুলিশ। বিচার বিভাগীয় হেফাজতের বিরুদ্ধে দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় CJP-র নেতৃত্বরা। আজ সেই আবেদনের শুনানি চলাকালীন সিজেপির (CJP) দুই নেতাকে তীব্র ভর্ৎসনা করে দিল্লি হাইকোর্ট৷ বয়স নিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য আদালতের৷ আদালতের ভর্ৎসনা ‘আপনারা তো GenZ নন’।
CJP: শীর্ষ নেতাদের আদালতের ভর্ৎসনা
আবেদনকারীদের পক্ষে উপস্থিত আইনজীবী অভীক (CJP) চিমনির কাছ থেকে CJP-র শীর্ষ নেতাদের বয়স সম্পর্কে জানার পর বিচারপতি সুব্রামোনিয়াম প্রসাদ মন্তব্য করেন, “তাহলে তো আপনারা ‘জেন জি’ (Gen Z) নন। ‘জেন জি’ আসলে কী?” তিনি আরও বলেন, “তা হলে আপনারা জেন জি নন। জেন জি কারা?” বার অ্যান্ড বেঞ্চ-এর প্রতিবেদনে এই কথোপকথনের উল্লেখ রয়েছে। সৌরভ দাসের বয়স ২৭ বছর এবং আশুতোষ রাঙ্কার বয়স ৩২। ১৯৯৭ সালের পর যাঁদের জন্ম, তাঁদের জেন জি হিসেবে বিবেচনা করা হয় বলে আদালতকে জানানো হলে বিচারপতি ফের বলেন, “তা হলে আপনারা জেন জি নন।”
যন্তর মন্তরকে নির্ধারিত বিক্ষোভস্থলের তালিকা থেকে সরিয়ে দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। দিল্লি পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ১৩ অক্টোবর সৌরভ,আশুতোষ রাঙ্কা, অজিঙ্ক শিন্ডে এবং ‘ককরোচ জনতা পার্টি’-র আরও ১১ জন সদস্য যন্তর-মন্তরে ঢুকে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছিল। সকলে গ্রেফতার হন। এদের সকলকে ছাড়া হলেও সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে মুক্তি দেওয়া হয়নি।
বুধবার দিল্লি হাই কোর্টের বিচারপতি সুব্রামোনিয়াম প্রসাদের এজলাসে মামলাটির শুনানি হয়। ভারতীয় সংবিধানের ২২৬ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও আবেদনকারীদের প্রশ্ন করেন বিচারপতি। শুনানিতে আবেদনকারীর আইনজীবী যুক্তি দেন, হেফাজতের মেয়াদ বৃদ্ধির নির্দেশ আইনত গ্রহণযোগ্য নয়।
উল্লেখ্য, সোমবার, সৌরভ এবং আশুতোষদের বিচার বিভাগীয় হেফাজতের মেয়াদ আরও বাড়িয়ে দেয় আদালত। স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তাঁদের পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠান। তাঁদের বিরুদ্ধে দু’টি মামলা হয়। প্রথম মামলার পর এবার ক্রাইম ব্রাঞ্চে দ্বিতীয় মামলাটিও হস্তান্তর করল দিল্লি পুলিশ।












2 thoughts on “‘আপনারা তো GenZ নন’,CJP-র শীর্ষ নেতাদের আদালতের ভর্ৎসনা”
Comments are closed.