জেল মুক্তি ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কর। বুধবার তাঁদের মুক্তির নির্দেশ দিল্লির বিশেষ এগজিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের । এর আগে দুই নেতার বিচারবিভাগীয় হেফাজতের মেয়াদ আরও তিন দিন বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। সেই আবেদনের শুনানির পর আদালত রায় সংরক্ষিত রেখেছিল। বুধবার দুই নেতার জামিনদার সংক্রান্ত নথি জমা পড়ার পর তাঁদের মুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়।(CJP Leaders Release)
হাই কোর্টে আবেদন প্রত্যাহার
এ দিনই হেফাজতের মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সৌরভ ও আশুতোষ। তবে আদালত তাঁদের প্রথমে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করতে বলে। অভিযোগের নিষ্পত্তি না হলে উপযুক্ত উচ্চতর আদালতে আবেদন করার পরামর্শও দেওয়া হয়। এরপর নিজেদের আবেদন প্রত্যাহার করে নেন দুই নেতা। বিচারপতিরা প্রশ্ন তোলেন, বিকল্প আইনি পথ খোলা থাকা সত্ত্বেও কেন সংবিধানের ২২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাই কোর্টে আবেদন করা হয়েছে। শান্তি বজায় রাখার মুচলেকা দ্বিতীয়বার ভাঙার অভিযোগ থাকলে কর্তৃপক্ষ আরও কঠোর জামিনের শর্ত আরোপ করতে পারে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলে আদালত। (CJP Leaders Release)
যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ ঘিরে বিতর্ক
যন্তর মন্তরকে নির্দিষ্ট প্রতিবাদস্থলের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মামলা সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন রয়েছে। তবে সেই সিদ্ধান্তের উপর কোনও স্থগিতাদেশ নেই বলে জানায় হাই কোর্ট। ব্যারিকেড ভাঙার ফলে অন্যরাও নিষেধাজ্ঞা অমান্য করতে উৎসাহিত হতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে আদালত। এ ক্ষেত্রে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারার প্রসঙ্গও উঠে আসে।দুই নেতার আইনজীবী অভিক চিমনি দাবি করেন, তাঁদের হেফাজতের মেয়াদ বাড়ানোর এক্তিয়ার বিশেষ এগজিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের ছিল না। জামিন সংক্রান্ত আবেদনও যথাযথ ভাবে বিবেচনা করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, শান্তিভঙ্গের আশঙ্কার কোনও তাৎক্ষণিক প্রমাণ ছাড়াই তাঁদের আটক রাখা হয়েছিল। তবে আবেদন প্রত্যাহারের অনুমতি দেওয়ার সময় মামলার মূল বিষয় নিয়ে কোনও মতামত দেয়নি হাই কোর্ট। (CJP Leaders Release)
১৪ অক্টোবর থেকে হেফাজতে ছিলেন
১৩ অক্টোবর যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ঘটনায় সৌরভ ও আশুতোষকে আটক করা হয়। নির্দিষ্ট প্রতিবাদস্থলের নিয়ম অমান্য এবং শান্তি বজায় রাখার মুচলেকা ভাঙার অভিযোগে ১৪ অক্টোবর তাঁদের পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ১৯ অক্টোবর সেই মেয়াদ আরও দু’দিন বাড়ানো হয়। তাঁদের আটক রাখার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১২৬ ও ১৭০ ধারার প্রয়োগ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন দুই নেতা। তাঁদের বক্তব্য ছিল, অতীতে ঘটে যাওয়া ঘটনার ভিত্তিতে ভবিষ্যতে শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা দেখিয়ে তাঁদের আটক রাখা যায় না। (CJP Leaders Release)













1 thought on “যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ ঘিরে বিতর্ক, আদালতের নির্দেশে মুক্তি সৌরভ ও আশুতোষের”
Comments are closed.