কেরলের কোঝিকোড় উপকূলে আরব সাগরে ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল হওয়ায় মাঝসমুদ্রে আটকে পড়েন ১৭ জন মৎস্যজীবী। কোস্টল পুলিশ ও স্থানীয়দের যৌথ প্রচেষ্টায় তাঁদের উদ্ধার করা সম্ভব হয় বলে খবর। বেপুর বন্দর থেকে রওনা হয় মাছ ধরার ট্রলারটি। মাঝ সমুদ্রেই বিকল হয়ে পড়ে ট্রলারের ইঞ্জিন। উত্তাল ঢেউয়ের মুখে পড়ে মৎস্যজীবীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয় (kozhikode)।
kozhikode: উপকূলে আটকে ১৭ জন মৎস্যজীবী
সূত্রের খবর, সাগরে তীব্র ঢেউ এবং ঝড়ো হাওয়ার কারণে ট্রলারটি দ্রুত তীরের দিকে এগোতে শুরু করে। কাপ্পালাঙ্গাদি উপকূলে পাথরের সঙ্গে ধাক্কা খেতে গিয়েও বেঁচে যায়। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কোস্টাল থানার পুলিশ এবং স্থানীয় মৎস্যজীবী ও বাসিন্দারা। ১৭ জনকে উদ্ধার করে নিরাপদে স্থানে সরিয়ে নিয়ে আসা হয়। উদ্ধার করে প্রথমে তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ফেরোক সিএইচসি (CHC) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। মাঝ সমুদ্রে আটকে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। বর্তমানে সকলের শারীরিক অবস্থাই স্থিতিশীল (kozhikode)।
সূত্রের খবর, গত ৭ জুলাই সমুদ্রের দিক নির্দেশ হারিয়ে ফেলেছিল মৎস্যজীবীদের একটি ট্রলার। ভারতীয় নৌবাহিনী তাঁদের উদ্ধার করে। শুধু এটাই নয়। দিন কয়েক আগেই ভারতীয় নৌসেনার এক্স হ্যান্ডলে একটি ভিডিয়ো পোস্ট হয়। সেখানে দেখা যাচ্ছে, বিশাখাপত্তনমে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে আটকে পড়া এক জেলেকে উদ্ধার করছেন নৌসেনারা।
নৌসেনার তরফে জানানো হয়, “সমুদ্রে যে মৎস্যজীবী দিক হারিয়ে ফেলেছিলেন, ৫ জুলাই তাঁকে একটি বাণিজ্যিক জাহাজ উদ্ধার করে। ৬ জুলাই অসামরিক প্রশাসনের অনুরোধে নৌবাহিনীর হেলিকপ্টার ‘রেসকিউ হোইস্ট’-এর মাধ্যমে তাকে উদ্ধার করার হয় এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদান করা হয়।”
৪ জুলাই মুম্বই উপকূলে এক জাহাজ থেকে আহত এক নাবিককে উদ্ধার করে নৌবাহিনী। উদ্ধার করার গোটা দৃশ্যই ক্যামেরা বন্দি করা হয়েছে। সেই ভিডিয়োই নৌবাহিনীর এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করা হয়েছে। তাতে নৌসেনারা জানিয়েছেন, “অবিরাম বৃষ্টিপাত, দৃশ্যমানতা কমে যাওয়া এবং উত্তাল সমুদ্রের কারণে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি থাকা সত্ত্বেও, হেলিকপ্টারটি অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে একটি রেসকিউ বাস্কেট ব্যবহার করে আহত নাবিককে উদ্ধার করা হয়। এরপর জরুরি চিকিৎসার জন্য তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।”









1 thought on “মাঝসমুদ্রে বিকল ইঞ্জিন! কেরলের কোঝিকোড় উপকূলে আটকে ১৭ জন মৎস্যজীবী”