রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

কুস্তিগীরদের যৌন হেনস্থার মামলায় ক্লিনচিট ব্রিজভূষণকে, কিন্তু কেন?

Brij Bhushan Saran Singh
---Advertisement---

স্বস্তি পেলেন ভারতীয় কুস্তি ফেডারেশনের প্রাক্তন প্রধান ব্রিজভূষণ শরণ সিং। মহিলা কুস্তিগীরদের যৌন হেনস্থার মামলায় প্রাক্তন এই বিজেপি সাংসদকে ক্লিনচিট দিল দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। এই মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত বিনোদ তোমারও অব্যাহতি পেয়েছেন। আদালত জানিয়েছে, পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে এই রায় দেওয়া হয়েছে (Brij Bhushan Saran Singh)।

২০২৩ সালে ব্রিজভূষণের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ তোলেন মহিলা কুস্তিগিররা। প্রথম অভিযোগ তোলেন, কুস্তিগীর ভিনেশ ফোগট। তারপর থেকেই একে একে ব্রিজভূষণের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে থাকেন। রাজপথে প্রতিবাদে বসেন, ভিনেশ ফোগট, সাক্ষী মালিক ও বজরং পুনিয়ার মতো কুস্তিগীররা। তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক মারাত্মক অভিযোগ সামনে এসেছিল (Brij Bhushan Saran Singh)।

Brij Bhushan Saran Singh: ব্রিজভূষণের বিরুদ্ধে কোন কোন ধারায় মামলা ছিল?

দিল্লি পুলিশ ২০২৩ সালের ১৫ জুন ব্রিজভূষণের বিরুদ্ধে প্রায় ১৫০০ পাতার একটি চার্জশিট জমা দিয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে সেই সময় ভারতীয় দণ্ডবিধির (IPC) বেশ কয়েকটি ধারায় মামলা করা হয়েছিল। সেই ধারাগুলি কী কী?

ধারা ৩৫৪: নারীর শ্লীলতাহানি বা বলপ্রয়োগ।
ধারা ৩৫৪এ: যৌন হেনস্থা বা আপত্তিকর মন্তব্য।
ধারা ৩৫৪ডি: পিছু ধাওয়া করা বা স্টকিং (Stalking)।
ধারা ৫০৬(১): অপরাধমূলক হুমকি প্রদান।

কেন বেকসুর খালাস করা হলো?

৩ আগস্ট অর্থাৎ সোমবার দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অশ্বিনী পওয়ার এই রায় ঘোষণা করেন। এই রায়ে বেকসুর খালাস করে দেওয়ার প্রধান কারণগুলি হলো, প্রমাণের অভাবে এবং কুস্তিগীরদের বয়ানের পরস্পরবিরোধী তথ্যের কারণে দিল্লির আদালত ব্রিজভূষণ শরণ সিংকে যৌন হয়রানির মামলায় বেকসুর খালাস দিতে বাধ্য হয়।

উল্লেখ্য, ২০২৩-এ ব্রিজভূষণের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ আন্দোলনে নামেন মহিলা কুস্তিগিররা। দিল্লির যন্তর মন্তরে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন তাঁরা। অলিম্পিক ও বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ পদকজয়ী কুস্তিগীররা অভিযোগ করেন, ব্রিজভূষণ শরণ সিং এবং কোচেরা দীর্ঘদিন ধরে মহিলা কুস্তিগীরদের যৌন হেনস্থা ও হুমকি দিয়ে আসছিলেন। প্রথমে পুলিশ এফআইআর নিতে রাজি না হলেও, কুস্তিগীররা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার পর দিল্লি পুলিশ ব্রিজ ভূষণের বিরুদ্ধে দুটি এফআইআর দায়ের করতে বাধ্য হয়, যার মধ্যে একটি ছিল পকসো (POCSO) আইনের অধীনে। তবুও আন্দোলনে অনড় ছিলেন কুস্তিগিররা। এই আন্দোলনের জল বহুদূর গড়ায়।

এরপর দিল্লি পুলিশ একটি চার্জশিট জমা দেয় এবং আদালতে দীর্ঘ আইনি লড়াই চলে। তবে সোমবার দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত প্রমাণ ও উপযুক্ত সাক্ষ্যের অভাবে ব্রিজ ভূষণ শরণ সিং এবং অন্যতম অভিযুক্ত বিনোদ তোমারকে মামলা থেকে বেকসুর খালাস (Acquit) করে দেয়। আদালতের এই রায়ে হতাশ প্রকাশ করেছেন কুস্তিগীররা। তাঁরা জানিয়েছেন, তাঁরা এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

1 thought on “কুস্তিগীরদের যৌন হেনস্থার মামলায় ক্লিনচিট ব্রিজভূষণকে, কিন্তু কেন?”

Leave a Comment