এবার ‘কুরবানি মুক্ত’ ইদ চায় অসম। কুরবানি না দেওয়ার আহ্বান জানালেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma)। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা ইদগাহ কমিটিগুলির ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, এই উদ্যোগ রাজ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
সমাজমাধ্যমে এদিন তিনি একটি পোস্ট করেন, সেখানে অসমের মুখ্যমন্ত্রী জানান, হোজাই, ধুবুড়ি, বঙাইগাঁও, উদারবন্দ-সহ অসমের বিভিন্ন এলাকার ইদগাহ কমিটি ইদের সময় গরু কুরবানি না দেওয়ার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি এর পিছনের আইনি ও ধর্মীয় কারণও ব্যাখ্যা করেছে।
তিনি লেখেন, ‘তাঁরা সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়ের আবেগকে সম্মান জানিয়েছেন। এই ধরনের স্বেচ্ছাপ্রণোদিত পদক্ষেপ অসমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় করবে।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন, রাজ্যের অন্যান্য ইদগাহ কমিটিও একই ধরনের উদ্যোগ নেবে।
হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma) অসম জুড়ে ইদ কমিটিগুলিকে এগিয়ে এসে এই উদ্যোগকে সমর্থন করার জন্য আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমি সমস্ত ইদ কমিটিকে এই ইদকে গো-হত্যামুক্ত করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।”
অন্যদিকে, ১২ দফা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে মুসলিম সমাজকে শান্তি বজায় রেখে, আইন ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে উৎসব পালন সুনিশ্চিত করার আবেদন জানালেন অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সনাল ল বোর্ডের সদস্য তথা ইসলামিক সেন্টার অব ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান মৌলানা খালিদ রশিদ ফিরাঙ্গি মহালি। তিনি বিশেষ করে বকরি ইদে গরু বলিদান থেকে বিরত থাকার কথা বলেছেন।
মহালি বলেছেন, লখনউয়ের ইসলামিক সেন্টার অব ইন্ডিয়া ১২ দফা পরামর্শ দিয়েছে। তাতে মুসলিম সম্প্রদায়কে আইনি বিধিনিষেধ নেই, শুধুমাত্র এমন পশু কুরবানি দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষত গরু বলি দেওয়া উচিতই নয়, কারণ তা দেশের আইনের পরিপন্থী।










