কর্মসূত্রেই রাশিয়ায় যেতে হয়েছিল পেশায় ইঞ্জিনিয়ার উত্তরপ্রদেশের কানপুরের বাসিন্দা চন্দন গুপ্তকে। মস্কোতেই স্ত্রী-পুত্রকে নিয়ে থাকতেন। এরই মাঝে সমাজ মাধ্যমে একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়। সেই ভিডিয়ো বার্তায় তাঁর স্ত্রী দাবি করেন, তাঁর স্বামীকে জোর করে রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ানোর জন্য আটক করেছে মস্কো পুলিশ। প্রধানমন্ত্রীর সাহায্যও চান তাঁরা। সেই ঘটনার পর অবশেষে মুক্তি পেলেন উত্তরপ্রদেশের কানপুরের এই বাসিন্দা। তিনি নিরাপদে নিজের বাড়ি ফিরে এসেছেন। তাঁর স্ত্রী স্নেহা গুপ্তা একটি ভিডিয়ো বার্তার মাধ্যমে এই খবরটি নিশ্চিত করেছেন (kanpur engineer chandan gupta released)।
kanpur engineer chandan gupta released: কী ঘটেছিল সেদিন?
৫ সেপ্টেম্বর মস্কোর রেড স্কোয়ার এলাকা থেকে চন্দন গুপ্ত ও তাঁর এক বন্ধুকে আটক করে সেখানকার পুলিশ। চন্দনের স্ত্রী প্রথমে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন যে তাঁর স্বামীকে রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ানোর জন্য চাপ দেওয়া হতে পারে। এই মর্মে তিনি ভারত সরকার ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের আবেদন জানান। তবে চন্দনের ফিরে আসার পর স্বস্তি ফেরে গুপ্ত পরিবারে (kanpur engineer chandan gupta released)।
সম্প্রতি, মস্কো থেকে একটি ভিডিয়ো বার্তার মাধ্যমে স্নেহা জানিয়েছেন, স্বামী যে আটক হয়েছেন, সে কথা তিনি প্রথমে জানতেন না। তিনি জানান, শনিবার রাত ১১টা ৪০ মিনিট নাগাদ চন্দনকে হেফাজতে নেওয়া হয় এবং তাঁর ফোন ও পাসপোর্ট কেড়ে নেওয়া হয়। তাঁর সঙ্গে থাকা এক বন্ধু পরে তাঁকে এই আটকের বিষয়টি জানান। স্নেহা জানান, ঘটনার বিবরণ জানতে তিনি তাঁর স্বামীর কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সেই কোম্পানি রাশিয়ার প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছিল।
স্নেহা অভিযোগ করেন, চন্দনকে মিথ্যে মামলার ‘ফাঁদে’ জড়িয়ে জেলে পাঠানো হয়েছিল। রুশ সেনাবাহিনীতে যোগদানের জন্য তাঁর স্বামীকে জোর করা হচ্ছিল। তাঁর দাবি, মস্কোয় তিনি তাঁদের ১০ বছরের পুত্রকে নিয়ে সেই সময় আটকে পড়েন। ওই পরিস্থিতিতে তিনি কী করবেন, তা বুঝে উঠতে পারেননি।













2 thoughts on “অবশেষে মুক্তি! দীর্ঘদিন মস্কোয় আটকের পর ছাড়া পেলেন কানপুরের ইঞ্জিনিয়র”