দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেলের অভিযানে বড় সাফল্য মিলল। সোমবার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যৌথ অভিযানে গ্রেফতার করা হয়েছে জম্মু-কাশ্মীরের শ্রীনগরের বাসিন্দা সাব্বির আহমেদ লোনকে, সে Lashkar e Taiba-র সদস্য। তদন্তকারী সূত্রের দাবি, ভারতে বড়সড় নাশকতার ছক কষা হচ্ছিল এবং এই পুরো নেটওয়ার্কটি পরিচালনা করা হচ্ছিল ঢাকা থেকে। এই তথ্য সামনে আসতেই দেশজুড়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
পুলিশের দাবি, সাব্বির আহমেদ লোন ওরফে ‘রাজা’ Lashkar e Taiba-র একটি গুরুত্বপূর্ণ মডিউলের হ্যান্ডলার ছিল। দিল্লিতে সম্প্রতি যে জঙ্গি চক্র ফাঁস হয়েছিল, তার অন্যতম মূলচক্রী ছিল সে। মেট্রো স্টেশনগুলিতে দেশবিরোধী পোস্টার লাগানোর ঘটনাতেও তার সরাসরি যোগ ছিল বলে অভিযোগ। তদন্তের সূত্র ধরেই তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বিস্তৃত এই জঙ্গি নেটওয়ার্কের হদিশ মেলে। শেষমেশ বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

তদন্তে আরও জানা গেছে, ২০০৭ সালে জঙ্গি যোগের অভিযোগে একবার গ্রেফতার হয়েছিল সাব্বির। পরে জামিনে মুক্তি পেয়ে ২০১৯ সালে বাংলাদেশে পালিয়ে যায়। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মুজফফরাবাদে সে জঙ্গি প্রশিক্ষণ নেয় এবং দীর্ঘদিন ধরে লস্কর-ই-তৈবার সঙ্গে যুক্ত ছিল। শুধু বাংলাদেশ নয়, ভারতে অবৈধভাবে থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদেরও এই নেটওয়ার্কে যুক্ত করার কাজ করত সে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসেই তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গ থেকে মোট আটজন সন্দেহভাজন জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি নাগরিক। এই গোষ্ঠীর সঙ্গে আইএসআই এবং বাংলাদেশভিত্তিক মৌলবাদী সংগঠনের যোগ থাকার কথাও উঠে আসে তদন্তে।
তদন্তকারীদের মতে, শাব্বিরকে গ্রেফতারের ফলে একটি বড় জঙ্গি চক্রের পর্দাফাঁস হয়েছে এবং সম্ভাব্য বড়সড় নাশকতার পরিকল্পনা ভেস্তে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।












