পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা তীব্র যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ার আশঙ্কার জ্বালানির জোগান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার। নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, কোনও বাড়িতে যদি পিএনজি (PNG)অর্থাৎ পাইপের মাধ্যমে গ্যাস সংযোগ থাকে, তাহলে সেখানে আর ডোমেস্টিক এলপিজি (LPG) সিলিন্ডার ব্যবহার করা যাবে না।
১৪ মার্চ কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের পক্ষ থেকে এই সংক্রান্ত একটি কড়া নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, যেসব গ্রাহকের বাড়িতে ইতিমধ্যেই পিএনজি সংযোগ রয়েছে, তাঁদের দ্রুত এলপিজি গ্যাসের সংযোগ সমর্পণ বা সারেন্ডার করতে হবে। PNG AND LPG
সরকারের দাবি,গ্যাসের কালোবাজারি বন্ধ করা এবং গ্যাস বণ্টন ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও নিয়ন্ত্রিত করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্যে ২০০০ সালের ‘এলপিজি (সরবরাহ ও বণ্টন নিয়ন্ত্রণ) অর্ডার’-এ সংশোধন আনা হয়েছে। ‘লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস (রেগুলেশন অফ সাপ্লাই অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন) অর্ডার’-এর নতুন সংশোধিত নিয়মে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, পিএনজি ব্যবহারকারীরা আর কোনও সরকারি তেল সংস্থা থেকে এলপিজি সিলিন্ডারের রিফিল নিতে পারবেন না।
সরকারি তেল সংস্থা যেমন-Indian Oil Corporation, Bharat Petroleum এবং Hindustan Petroleum বা তাদের ডিস্ট্রিবিউটরদের কাছ থেকেও পিএনজি গ্রাহকরা আর এলপিজি সিলিন্ডার পাবেন না।যেসব পরিবারের কাছে বর্তমানে পিএনজি এবং এলপিজি- দুটো সংযোগই রয়েছে, তাঁদের দ্রুত গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরের কাছে গিয়ে এলপিজি সংযোগ বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, যাদের বাড়িতে ইতিমধ্যেই পিএনজি রয়েছে তারা নতুন করে আর ডোমেস্টিক এলপিজি সংযোগের জন্য আবেদন করতে পারবেন না। PNG AND LPG
শুধু গ্রাহকদের জন্যই নয়, তেল সরবরাহকারী সংস্থাগুলির জন্যও কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদি কোনও পিএনজি গ্রাহককে এলপিজি সংযোগ দেওয়া হয় বা সিলিন্ডার রিফিল করা হয়, তাহলে তা আইনভঙ্গ হিসেবে গণ্য হবে এবং সংশ্লিষ্ট কোম্পানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।













1 thought on “PNG AND LPG: পিএনজি থাকলে এলপিজি নয়,নয়া নির্দেশ জারি করল কেন্দ্র”