বোমা মেরে রাজধানীর একাধিক জায়গায় উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি। লালকেল্লা এবং দিল্লি সচিবালয়কে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ইমেইল পাঠানো হয়েছে সোমবার সকালে। খবর মিলতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। দমকল এবং বম্ব স্কয়্যাড গিয়ে এলাকায় তল্লাশি শুরু করেছে। (High Alert in Delhi)
দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, দুপুর প্রায় ১২টা নাগাদ সচিবালয়ে হুমকির ই-মেল আসে। সঙ্গে সঙ্গে একাধিক দল পাঠানো হয় এবং পুরো ভবন খতিয়ে দেখা হয়। তবে প্রাথমিক তল্লাশিতে সন্দেহজনক কিছু মেলেনি বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা।
অন্য দিকে, দিল্লি বিধানসভার তরফে জানানো হয়েছে, বিধানসভার স্পিকার বিজেন্দর গুপ্ত তাঁর ব্যক্তিগত ই-মেলে বোমা হামলার হুমকি পেয়েছেন। ওই বার্তায় দিল্লি বিধানসভা উড়িয়ে দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা দফতর এবং দিল্লি পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের জানানো হয়েছে। অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদনও করা হয়েছে।
এর আগে গত সোমবার সকালেই রাজধানীর আরও দু’টি স্কুলে একই ধরনের হুমকি আসে। আর্মি পাবলিক স্কুল, ধৌলা কুয়ান এবং এয়ার ফোর্স বাল ভারতী স্কুল, লোধি রোডে ই-মেলের মাধ্যমে বোমা রাখা হয়েছে বলে দাবি করা হয়। পুলিশ ও বোমা স্কোয়াড সেখানে গিয়ে তল্লাশি চালালেও কিছু মেলেনি। (High Alert in Delhi)
উল্লেখ্য, সোমবারের বোমা হুমকির ঘটনার আগে গত শনিবার গোয়েন্দা সূত্রে সতর্কবার্তা মিলেছিল যে পাকিস্তানপন্থী জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবা লালকেল্লা ও চাঁদনি চক সংলগ্ন একাধিক মন্দির এবং ঘিঞ্জি এলাকায় আইইডি হামলার ছক কষতে পারে। বিশেষ করে লালকেল্লার আশপাশের ধর্মীয় স্থান ও পুরনো দিল্লির ভিড়ভাট্টা অঞ্চলগুলিকে সম্ভাব্য টার্গেট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ৬ ফেব্রুয়ারি ইসলামাবাদের একটি মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনার ‘বদলা’ হিসেবেই ভারতের মন্দিরগুলিকে নিশানা করা হতে পারে বলে গোয়েন্দা তথ্যে উল্লেখ ছিল।
শনিবারের পর আবার সোমবার ক্রমাগত একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বোমা হামলার হুমকির ঘটনায় রাজধানীতে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, প্রতিটি হুমকিকেই গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের সুরক্ষায় সব রকম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। (High Alert in Delhi)











