মদ্যপ অবস্থাই কাল হলো। নিজের দুই সন্তানের সামনে ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে কাস্তে দিয়ে কুপিয়ে খুন করলেন স্বামী। নৃশংস খুনের সাক্ষী থাকল উত্তরপ্রদেশের মহোবা। পুলিশকে দেওয়া সন্তানদের বয়ানের ভিত্তিতেই গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তকে (uttarpradesh)।
uttarpradesh: অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন!
মদ্যপ অবস্থায় বাড়িতে ফিরেছিলেন স্বামী। বাড়ি ফিরে এসে স্ত্রীর সঙ্গে তুমুল বচসা হয়। সেই বচসাই মধ্যে রাগে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে নিজের দুই সন্তানের সামনে কাস্তে দিয়ে কুপিয়ে খুন করলেন স্বামী। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, মৃতার নাম মণীষা ও অভিযুক্তের নাম হানিফ মনসুরি। সূত্রের খবর, উত্তরপ্রদেশের মহোবা জেলার পানওয়ারি থানার বিজরাড়ি গ্রামের বাসিন্দা হানিফ মনসুরি। গত ২৫ জুলাই রাতে মদ্যপ অবস্থায় হানিফ বাড়ি ফেরেন। তারপরেই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডটি ঘটায় সে। গ্রেফতার হওয়ার পর নানা রকম কথা বলে পুলিশি তদন্তকে অন্যদিকে পরিচালনা করার চেষ্টা করে। কিন্তু তাতেও বরফ গলেনি। বাবার কীর্তির সব ফাঁস করে দেয় তাঁদের বড় সন্তান ৫ বছরের ছেলে (uttarpradesh)।
এই হত্যাকাণ্ডের সময় ঘটনাস্থলেই উপস্থিত ছিল তাঁর দুই সন্তান। শিশুদের সামনেই মাকে কুপিয়ে খুন করেন অভিযুক্ত। স্ত্রীকে খুনের পর রাত ১১.৩০ টা নাগাদ নিজেই পুলিশকে ফোন করেন। ঘটনার মিথ্যে বিবরণ দেন কিন্তু পুলিশ কর্মীদের এই ঘটনার যাবতীয় বিবরণ ওই দুই সন্তান দেয়। ঘটনার পর পানওয়ারি থানার স্টেশন হাউস অফিসার (SHO) প্রবীণ কুমার অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং শেষ পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে খবর, এর আগেও একাধিকবার হানিফ তাঁর স্ত্রীকে মারধর করছেন। বেশকিছুদিন ধরেই এই ঘটনা চলছিল। স্থানীদের দাবি, হানিফ তাঁর স্ত্রীকে সন্দেহ করত। আর সেই সন্দেহের বশেই স্ত্রীর উপর অত্যাচার চালাতো। মৃতার ভাই নাসিম মনসুরিও জানান, ২০২১ সালে তাঁদের বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের পর তাঁর বোনের উপর অত্যাচার চালাত তাঁর স্বামী। অভিযুক্ত একাধিকবার তাঁর বোনকে বাড়ি থেকেও বের করে দিয়েছিল। সেই সময় পুলিশি হস্তক্ষেপও করতে হয়েছিল। কিন্তু সংসার টিকিয়ে রাখার স্বার্থে মনীষা বারবার স্বামীর বাড়িতে ফিরে যেতেন।









