---Advertisement---

WB Assembly Election: পেট্রোল নয়, এবার গাড়ি চলবে অ্যালকোহলে! ভারত কাঁপাবে ‘ফ্লেক্স-ফুয়েল’ গাড়ি

April 21, 2026 5:26 PM
WB Assembly Election
---Advertisement---

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ জেরে বিশ্ব জুড়ে তৈরি হয়েছে জ্বালানি (WB Assembly Election) সঙ্কট। প্রায় প্রতিদিনই ওঠা নামা করছে তেলের দাম। এই পরিস্থিতিতে যানবাহনে জ্বালানি ভরতে গেলেও মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কায় চিন্তিত অধিকাংশ মানুষ। এখন, এই ক্রমবর্ধমান অনিশ্চয়তা মোকাবিলা করতে এবং দামি বিদেশি তেলের ওপর দেশের ব্যাপক নির্ভরতা কমাতে সরকার একটি সুদূরপ্রসারী উদ্যোগ গ্রহণ করতে চলেছে। ইকোনমিক টাইমস-এর একটি রিপোর্ট অনুসারে, ভারত এখন দ্রুত অত্যাধুনিক ফ্লেক্স-ফুয়েল যানবাহন চালু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই যানবাহনগুলি E85 জ্বালানিতে (Ethanol E85 Plan) চলতে পারবে। যা হলো ৮৫ শতাংশ ইথানল এবং মাত্র ১৫ শতাংশ পেট্রোলের মিশ্রণ।

সূত্রের খবর, সরকার খুব শীঘ্রই ইথানল ৮৫ (E85) চালুর বিষয়ে খসড়া বিধি জারি করবে। খসড়া বিধিমালা খুব শীঘ্রই বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করা হবে। সরকারের অভ্যন্তরে এ বিষয়ে ঐকমত্য রয়েছে। বাজারেও এ নিয়ে সম্মতি রয়েছে এবং প্রাথমিক পরীক্ষানিরীক্ষাও সম্পন্ন হয়েছে।

ইথালন ৮৫ (E85) ‘ফ্লেক্স ফুয়েল’ নামেও পরিচিত। এই তেল ব্যবহারের জন্য গাড়ির ইঞ্জিনে কিছু পরিবর্তন বা ‘টিউনিং’-এর প্রয়োজন হয়। মনে করা হচ্ছে,আগামী দু-এক বছরের মধ্যেই ইথানল ৮৫ পুরোপুরি চালু হয়ে যাবে।

২০২৬ সালের ১ এপ্রিল থেকে ভারতের সমস্ত রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ইথানল ২০ পেট্রোল (E20) বিক্রি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের সামরিক অভিযানের ফলে বিশ্বজুড়ে যে জ্বালানি সঙ্কট (WB Assembly Election) দেখা দিয়েছে, সেই প্রেক্ষাপটেই সরকার এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ভারতের তেল আমদানি নির্ভরতা কমানোর একটি কার্যকর উপায় হিসেবেই এই উদ্যোগটিকে তুলে ধরা হচ্ছে। উল্লেখ্য, ভারত মোট তেলের চাহিদার প্রায় ৯০ শতাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করে থাকে।

জ্বালানিতে ৮৫ শতাংশ ইথানল ব্যবহার করতে গেলে প্রতিটা গাড়ির ইঞ্জিন সে ভাবে টিউনিং করতে হবে। কারণ, সাধারণ পেট্রোল ইঞ্জিন এবং জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাগুলো জ্বালানিতে এত উচ্চমাত্রার অ্যালকোহল বা ইথানল ব্যবহারের উপযোগী করে তৈরি করা হয় না।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Join Now

Leave a Comment